সিলেট থেকে: তৃতীয় দিন শেষে জয়ের সম্ভাবনায় পাল্লা ঝুঁকে জিম্বাবুয়ের দিকেই। সিলেট টেস্টে চালকের আসনে সফরকারীরা। প্রথম দিন থেকেই নিয়ন্ত্রণটা তাদের হাতেই। যেখানে দাঁড়িয়ে জিতেই চাওয়াই অনুমেয়। হেরে গেলে হবে বেশ হতাশার।
জিম্বাবুয়ে দলের কোচ লালচাঁদ রাজপুত সোমবার দিনের খেলা শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বললেন সে কথাই, ‘আমরা ইতিবাচক আছি। জিততেই এসেছি এখানে। আমি নিজে খুব ইতিবাচক মানুষ এবং কখনও শেষ না দেখে হাল ছাড়ি না। আমাদের প্রতিপক্ষ দল এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে যেখান থেকে আমাদের হেরে যাওয়া খুব কঠিন।’
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে ১৪৩ রানে গুঁটিয়ে দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। স্বাগতিকদের তারা দিয়েছে ৩২১ রানের লক্ষ্য। সে পথে তৃতীয় দিন শেষে দুই ওপেনার ইমরুল কায়েস ও লিটন দাস অবিচ্ছিন্ন থেকে তুলেছেন ২৬ রান। জিততে হলে আরও চাই ২৯৫। হাতে সবকটি উইকেট অক্ষত।
চতুর্থ ইনিংসে এরপরও লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলা কোনভাবেই সহজ কাজ হবে না, সেটিও মনে করিয়ে দিলেন জিম্বাবুয়ের কোচ, ‘ম্যাচের শেষ ইনিংসে এত রান করা খুব কঠিন। দিনের শেষ বলটা আমাদের দলকে উদ্দীপ্ত করছে। আশা করছি আমরা কাল সকাল থেকেই ভালো বল করার চেষ্টা করে যাবো এবং ফিল্ডাররা ক্যাচগুলো লুফে নেবে। বোলিং এবং ফিল্ডিংয়ে দারুণ সেশন কাটাব।’
আলো স্বল্পতায় খেলা বন্ধ হওয়ার আগে বাংলাদেশ ব্যাট করেছে ১০.১ ওভার। জিম্বাবুয়ের অফস্পিনার সিকান্দার রাজার করা শেষ বলটি দারুণ বাঁক নিয়ে লাগে লিটনের প্যাডে। এলবিডব্লিউর আবেদন উঠলেও সাড়া দেননি আম্পায়ার। জিম্বাবুয়ে কোচের আশা চতুর্থ দিন উইকেট কথা বলবে বোলারদের হয়েই।
বাংলাদেশ কোচ স্টিভ রোডস অবশ্য মনে করেন এখনও ব্যাটসম্যানদের পক্ষেই আছে উইকেট। জুটি গড়ে উঠলেই ম্যাচ জেতা সম্ভব, ‘আমরা দুটি বড় জুটির খোঁজে আছি এবং সেটা সম্ভব। বড় স্কোর তাড়া করে জেতা খুবই কঠিন, কিন্তু এটা অসম্ভব নয়।’








