চট্টগ্রাম থেকে: ব্যাগ কী গোছানোই থাকে? জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষে সৌম্য সরকারকে প্রাসঙ্গিক প্রশ্নটি করলেন একজন সাংবাদিক। উত্তর মিলল এভাবে, ‘এখন ব্যাগ গোছানোই থাকে। অলরেডি গোছানো, বরিশাল যেতে হবে খেলতে। ভালোই হচ্ছে যে খেলার মধ্যে আছি। একটা ভালো দিন গেল আজ, কাল হয়তো সেই আত্মবিশ্বাসটা কাজে দিবে।’
গত একমাস ধরে টানা ভ্রমণের উপরে আছেন জাতীয় দলে আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকা সৌম্য। খুলনা-ঢাকা-দুবাই হয়ে আবুধাবিতে গিয়ে খেলেছিলেন এশিয়া কাপের ফাইনাল। জাতীয় দলে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ নিয়ে শুরু করেন জাতীয় লিগ। রাজশাহীতে এক রাউন্ড শেষ করে খুলনায় পরের রাউন্ড খেলার সময় খবর পান জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সাভারের বিকেএসপিতে এসে খেলতে হবে প্রস্তুতি ম্যাচ।
দুর্গাপূজার উৎসব বিসর্জন দিয়ে চলে আসেন ঢাকায়। দশমীর দিনে অপরাজিত ১০২ রানের ইনিংসে রাঙান প্রস্তুতির মঞ্চ। তাতে আশা বড় হয়েছিল, জাতীয় দলে ডাক আসে কিনা দেখার ছিল। সে দফায় হয়নি। সৌম্য আবার ফিরে যান জাতীয় লিগের মঞ্চে।
‘যেদিন অনুশীলন ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলাম, সেদিন মনে হয়েছে যদি দলে থাকতাম। দিনশেষে খেলার পর যখন খুলনা ফিরছিলাম, তখন এই চিন্তা এসেছিল। তিনটা ম্যাচ যদি খেলার সুযোগ পেতাম, তাহলে নিজেকে মেলে ধরার, প্রমাণ করা একটা ভালো সুযোগ পেতাম। এমন একটু মনে হয়েছিল। তবে শেষ ম্যাচে যখন ডাক পড়ল, তখন খুশি হয়েছিলাম। মনে হয়েছিল, না, একটা সুযোগ এসেছে, দেখি কাজে লাগাতে পারি কিনা।’
খুলনায় জাতীয় লিগের ম্যাচ খেলার সময় ডাক আসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডের দলে। খুলনা-ঢাকা হয়ে সৌম্য চট্টগ্রামে পৌঁছান ম্যাচের আগের দিন। শুক্রবার নেমে খেললেন ১১৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। নিজেকে হারিয়ে খুঁজতে থাকা এ বাঁহাতি তাতে পায়ের তলায় মাটি পেয়েছেন। তবুও থামাতে চান না এ ছুটে চলা। শনিবার যাবেন বরিশালে, খুলনা বিভাগের হয়ে জাতীয় লিগের ম্যাচ খেলতে।
‘এখন চিন্তা করছি, যেখানেই খেলা হচ্ছে, এখন শুধু খেলা দিয়েই কথা। চেষ্টা করছি লম্বা সময় ব্যাটিং করে যাওয়ার। উপভোগ করে যাওয়ার চেষ্টা করছি।’








