চট্টগ্রাম থেকে: রান করলে নায়ক; ফর্ম হারালে ভিলেন! অনেক ক্রিকেটভক্তের মনের ভাবনা এভাবে বদলাতে সময় লাগে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায় ক্রিকেটারদের খারাপ সময়ে সমালোচনামূলক শব্দ, বাক্যের বাহার!
সৌম্য সরকার নিজের খারাপ সময়ে দেখেছেন সেসব। সহ্য করতে না পেরে ফেসবুক ব্যবহার কমিয়েছেন। সমালোচনায় মন আহত হতে পারে টাইমলাইনে আসা এমন নিউজ থেকে দূরে রেখেছেন নিজেকে। বাংলাদেশ দলের এ ক্রিকেটারের সেঞ্চুরি করে কক্ষপথে ফেরার পেছনে আছে লাইফস্টাইল ও মানসিকতা পরিবর্তন করার গল্প।
‘আমার কাছে মনে হয় আমি বাইরের কথা বেশি শুনতাম। ফেসবুকটা যখন ব্যবহার করতাম, তখন নেতিবাচক মন্তব্যগুলো আসতো অনেক, যা মাথায় গেঁথে যেত। মানুষ ইতিবাচক জিনিসটা লিখেও না, পড়েও না। এমন এক একটা হেডলাইন আসত, যেন আমি সবই খারাপ করেছি। আর আমরা বাংলাদেশিরা হেডলাইনটাই বেশি পড়ি।’
পরে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করব ভেবেছি। নেতিবাচক জিনিসগুলো কম নিবো, মানুষের সাথে কথা কম বলব। শুধু ইতিবাচক জিনিস নিয়েই বেশি ভাবার চেষ্টা করেছি। অনুশীলনও কম করতাম তখন। যখন খারাপ যায় তখন সবই খারাপ যায়, ভালো করলেও খারাপ হয়। একটু বন্ধুদের সাথে বেশি সময় কাটাতাম সেই সময়ে।’
ক্যারিয়ারের শুরুতে যে আশার মশাল জ্বালিয়েছিলেন সৌম্য, সেটি নিভে যেতেই বসেছিল। রানখরায় ছিলেন জাতীয় দলে আসা-যাওয়ার মধ্যে। ঝাপটা দিয়ে ডানা মেললেন অবশেষে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শুক্রবার খেলেছেন ১১৭ রানের দুর্বার ইনিংস। পরে সংবাদ সম্মেলনে দেখা মিলল তার হাসিখুশি মুখের। আর কণ্ঠে বেরোল খারাপ সময়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার গল্প।







