১৮ বছর আগের ১০ নভেম্বর ক্রিকেটের অভিজাত আঙিনায় প্রবেশ বাংলাদেশের। ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে খেলে টেস্টে অভিষেক। সাদা পোশাকে রোববার ১৯-এ পা রেখেছে টাইগার ক্রিকেট। অথচ এখনো ‘ধারাবাহিকতা’ শব্দটি রীতিমতো আক্ষেপ এদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে।
ওয়ানডে সংস্করণে শক্তিশালী দল হয়ে উঠলেও টেস্টে ভাঙা-গড়ার মধ্যে দিয়েই চলছে পথচলা। দেড় যুগ পেরিয়েও ক্রিকেটারদের মাঝে তারই দীর্ঘশ্বাস।
ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার মতো দলকে হারিয়ে সম্ভাবনা-সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু টানা হারে সেটি মিইয়ে গেছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিলেট টেস্ট ১৫১ রানে হেরে যাওয়ার পর হতাশা আরও প্রকট হয়েছে। ওয়ানডেতে যাদের হেসেখেলে হারানো গেছে, তাদের বিপক্ষে রোববার সিরিজ বাঁচানোর চ্যালেঞ্জ।
শনিবার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ স্বীকার করলেন সময়ের স্রোতে প্রাপ্তবয়স্ক হলেও ফলাফলে প্রতীয়মান হচ্ছে না সেটি।
‘যদি ফলাফল হিসেব করে দেখেন, তাহলে হয়তো অতটা প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি। টেস্ট ক্রিকেটটা আপনাকে খেলতে থাকতে হবে, তারপর আপনি ফলাফলটা পাবেন। অন্য ফরম্যাটে আমরা যেভাবে ভাল খেলছি, ছন্দ ধরতে পেরেছি, টেস্টে হয়তো সেটা ধরতে পারছি না।’
‘কিছু ম্যাচে আমরা ভালো করেছি, কিছু ম্যাচে আবার বাজে পারফর্ম করেছি। এই জিনিসটা থেকে বের হওয়া দরকার, বের হতেই হবে। ধারাবাহিকতা বেশ গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট ক্রিকেটে। গোছানো হতে হবে আমাদের তিন বিভাগেই। টেস্ট ক্রিকেটে আপনাকে বড় জুটি গড়তেই হবে। তাহলে আপনার ফলাফল পক্ষে আসবেই।’









