র্যাবের দাবি, এক চালানে কমপক্ষে ১ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেত আনতো কথিত ইয়াবা সম্রাট আলম।মিয়ানমার থেকে ইয়াবা চালান নিয়ে সে মজুদ করত কক্সবাজারের কলাতলিতে নিজের গেস্ট হাউজে। পরে সেখান থেকে পাঠাতো রাজধানীতে।
এই কাজে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে একটি চালান আনা শেষে নিজের মোবাইল, সিমকার্ড ও ব্যবহৃত গাড়ি পরিবর্তন করে ফেলত আলম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য তুলে ধরেন র্যাব-২ এর অধিনায়ক (সিও) লেফট্যানেন্ট কর্নেল আনোয়ার উজ জামান।
বুধবার বিকালে রাজধানীর হাজারীবাগের মধুরবাজার এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে আলমসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে র্যাব।
তারা হলেন- আলম (৪০), তার আপন ছোট ভাই জসিম উদ্দিন (২৩), সালাউদ্দিন (২৭) ও মিজানুর রহমান (৩৩)।
এসময় তাদের কাছ থেকে ১ লাখ ২৩ হাজার পিস ইয়াবা, নগদ ৮১ হাজার টাকা, ৭টি মোবাইল, ৩টি টালি খাতা উদ্ধারের দাবি করে র্যাব।
আনোয়ার উজ জামান বলেন, আলম প্রথমে ইয়াবাসেবী ছিল। কক্সবাজারে করাতলিতে থাকা তার বন্ধুদের সহযোগিতায় চিংড়ি মাছের পোনার ব্যবসা, কটেজ ব্যবসা, জমি বিক্রর ব্যবসা করে উন্নতি করলেও পরে অতি লোভে পড়ে ইয়াবা ব্যবসা শুরু করে।
‘পরে মিয়ানমারের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ করে ইয়াবা ব্যবসা পরিধি বড় করে। এবপর গত ৪ বছরে সে গড়ে তোলে ইয়াবার বড় একটি সিন্ডিকেট। কক্সবাজারের কলাতলীতে নিজের গড়া ‘শামীম গেস্ট হাউজ’কে ইয়াবা মজুদের জন্য ব্যবহার করতো।’
তিনি বলেন, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটক সালাউদ্দিন ৬ষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। মোটর গ্যারেজের মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করতো। সেই কাজের সুবাদে আলমের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর ইয়াবা ব্যবসায় তার সহযোগী হিসেবে কাজ শুরু করে।
‘আসামি মিজানুর রহমান উখিয়ার-কক্সবাজারের যাত্রীবাহী বাসের চালক হিসেবে কাজ করতো। আলমের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর বাড়তি আয়ের আশায় গাড়িতে ইয়াবার চালান বহন করারর কাজ করতো।’










