তিনি ম্যানচেস্টার সিটির একাদশে নিয়মিত সদস্যই। জায়ান্ট হয়ে ওঠা ম্যানসিটির অনেক ঐতিহাসিক জয় এসেছে তাঁর মাধ্যমেই। চোট এবং সাময়িক ফর্মহীনতায় গত দুই ম্যাচে একাদশে জায়গা হারিয়েছিলেন নতুন ব্রাজিলিয়ান তারকা গ্যাব্রিয়েল জেসুসের কাছে। অভিমানে বলেই দিয়েছিলেন আগামী মৌসুমেই ছাড়তে পারেন ম্যানসিটি!
অথচ কি দারুণভাবেই না দলে ফিরলেন ম্যানসিটির আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড সার্জিও আগুয়েরো। সোমবার রাতে তাঁর এবং রাহিম স্টার্লিং এর অসাধারণ নৈপুণ্যে বোর্নমাউথকে ২-০ গোলে পরাজিত করেছে ম্যানচেস্টার সিটি।
বোর্নমাউথের মাঠে শুরুতেই হোঁচট খায় সিটি। গোড়ালির চোটে ম্যাচ শুরুর ১৫ মিনিটের মাথায় মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন দুই ম্যাচে তিন গোল করে ম্যানসিটির নতুন ‘ভরসা’ হয়ে ওঠা গ্যাব্রিয়েল জেসুস। এরপরেই মাঠে নামেন জেসুসের কাছে জায়গা হারানো সিটিজেনদের পুরনো ভরসা আগুয়েরো। পরে ৬৯ মিনিটে করেছেন দলের জয়সূচক গোলটিও।
তবে এই ম্যাচে দারুণ খেলেছেন রাহিম স্টার্লিং। ২৯ মিনিটে তাঁর গোলেই প্রথমে স্বাগতিকদের জালমুখ খুঁজে পায় ম্যানসিটি। অসাধারণ খেলেছেন এই ম্যাচে অধিনায়কত্ব করা ডেভিড সিলভাও। মূলত সিলভার কারণেই ম্যাচ হাতছাড়া হয়নি সিটির। তারপরও দিনশেষে এটি আগুয়েরোর ম্যাচ। জানান দিয়ে রাখলেন তাঁকে ছাড়া দল সাজানো একপ্রকার বোকামি!
কিন্তু মন কি গলবে সিটিজেন কোচ পেপ গার্দিওলার? খেলা শেষেও তাঁর দুশ্চিন্তা যে জেসুসকে নিয়েই, ‘মঙ্গলবার আমরা জানতে পারবো তাঁর চোটের প্রকৃত অবস্থা। আমি কেবল তাঁর জন্য প্রার্থনাই করতে পারি।’
সিটিজেনদের নিয়মিত একাদশে জায়গা ধরে রাখা এক প্রকার কঠিনই চ্যালেঞ্জই হতে যাচ্ছে আগুয়েরোর জন্য!
সবশেষ এই জয়ে লিগের পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে পেপ গার্দিওলার দল। ২৫ ম্যাচে ৫২ পয়েন্ট তাঁদের। সমান সংখ্যক ম্যাচে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে গোল-ব্যবধানে এগিয়ে তিনে আছে টটেনহ্যাম হটস্পার ও চারে আর্সেনাল। ৬০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে চেলসি।










