চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

একাত্তরের ঘাতকদের পক্ষাবলম্বনই বিএনপির নিয়তি

সাব্বির আহমেদসাব্বির আহমেদ
৬:৩২ পূর্বাহ্ণ ০২, ডিসেম্বর ২০১৫
মতামত
A A

জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ এবং বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনীত যুদ্ধাপরাধ মামলার আপীলের উপর রিভিউ আবেদন গত ১৯ নভেম্বর খারিজ করে দেয়া হলে সেদিন বিএনপি কোন প্রতিক্রিয়া জানায়নি। সাংবাদিকেরা বিএনপি’র বিভিন্ন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে কেউ মুখ খোলেননি বলে জানিয়েছিলবিভিন্ন গণমাধ্যম। রিভিউ আবেদন খারিজের একদিন পর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি’র মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, তাদের নেতা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। এছাড়াও তিনি সাকাকে গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপোষহীন, এবং একজন পরিচ্ছন্ন ও সৎ রাজনীতিবিদ হিসেবে উল্লখ করেন।

মুসলিম লীগ থেকে জাতীয় পার্টি ও এনডিপি হয়ে বিএনপিতে আসা যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, যিনি ‘সাকা’ হিসেবে সমধিক পরিচিত, বাংলাদেশ রাজনীতিতে একটি ব্যাপক উচ্চারিত নাম। তার নাম এত বেশি উচ্চারিত হয়েছে শুধুই তার উদ্ভট, বিকৃত, ইতর, নীচ, অশিষ্ট, অমার্জিত, কুরুচিপূর্ণ আচরণ এবং কথাবার্তা এবং অঙ্গভঙ্গির জন্য। জাতীয় সংসদ থেকে শুরু করে সভা, সমাবেশ, সেমিনার, সাংবাদিক সম্মেলন, সাক্ষাৎকার – সব রকম অনুষ্ঠানে তিনি তার বিকৃত মানসিকতার পরিচয় রেখেছেন। তিনি বর্তমান এবং প্রাক্তন দুই প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে যাচ্ছেতাই ভাষায় কথা বলেছেন; মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছেন; অন্তঃসারশূণ্য দম্ভ দেখিয়েছেন যত্রতত্র। যুদ্ধাপরাধ প্রমাণ হওয়া এবং ট্রাইবুন্যাল প্রদত্ত দণ্ড নিশ্চিত হওয়ার পরেও এরকম একজন বিকৃত রুচির মানুষকে বিএনপি কিভাবে সমর্থন করে জনসমক্ষে কথা বলতে পারে? ‘পরিচ্ছন্ন’ ও ‘সৎ’ রাজনীতিবিদ হিসেবে উল্লখ করতে পারে? এমনসব প্রশ্ন ভাবিয়েছে স্বাধীনতাকামী প্রতিটি মানুষকে।

যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং দেশের প্রতি ‘অঙ্গীকার’ রয়েছে এমন মন্তব্য করে তার সর্বশেষ দল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একজন চিহ্নিত গণহত্যাকারী এবং মানবতা বিরোধী অপরাধীর জঘন্য অপরাধ সমূহ আড়াল করে তাকে তার প্রকৃত চরিত্রের বিপরীতে দেশপ্রেমিক হিসেবে জাতির সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছে। বিএনপি’র এই মন্তব্য সাধারণ জনমতের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং সর্বোচ্চ আদালতে প্রমাণিত অপরাধ সমূহের বিপরীত। দেশের সর্বোচ্চ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে যে সাকা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি। বাংলাদেশ যাতে স্বাধীন না হতে পারে তার জন্য তিনি নারী-শিশু নির্বেশেষে মুক্তিকামী মানুষদের নির্বিচারে হত্যা করেছেন; নির্যাতন করেছেন। বাংলাদেশ ধ্বংস করার জন্য, বাংলাদেশ গঠনের উদ্দেশ্য নস্যাৎ করার জন্য স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি পাকিস্তানের চর হিসেবে কাজ করেছেন। বিভিন্ন মিডিয়ায় তাকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতিপক্ষ পাকিস্তানের প্রধান এজেন্ট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তার দণ্ড কার্যকর হওয়ার পর পাকিস্তানী পররাষ্ট্র দফতর বিরক্তি, উদ্বেগ এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছে; এবং পাকিস্তানের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তার দণ্ড কার্যকর করায় বাংলাদেশের প্রতি বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। এসব দেখে পাকিস্তানের মানবতাকর্মী আসমা জাহাঙ্গীর বলেছেন, “সরকারের কার্যক্রম প্রমাণ করে যে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ পাকিস্তানের রাজনৈতিক এজেন্ট ছিলেন এবং তারা পাকিস্তানের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য কাজ করেছে”। এমন একজন পাকিস্তানী এজেন্টের বাংলাদেশের প্রতি অঙ্গীকার থাকে কি করে?

বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলনে সাকাকে ‘আপোষহীন’ রাজনীতিবিদ হিসেবে উল্লখ করা হয়েছে। সাকা রাজনীতিবিদ ছিলেন তাতে কারো সন্দেহ নেই। তিনি একাধিক দলের রাজনীতি করেছেন। নিজে রাজনৈতিক দল তৈরী করেছেন, ভেঙ্গেছেন। তবে ঠিক কোন অর্থে তিনি ‘আপোষহীন’ ছিলেন এটা বিএনপি’র বক্তব্যে পরিষ্কার হয়নি। সাকা’র রাজনৈতিক জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধিতার ক্ষেত্রে এবং পাকিস্তান প্রীতির ক্ষেত্রে আপোষহীন ছিলেন। পাকিস্তান আদর্শের ধারক পিতার হাত ধরে স্বাধীনতা বিরোধী মুসলিম লীগে যোগদানের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু। পরবর্তীতে সেনা শাসক এরশাদের জাতীয় পার্টি এবং জেনারেল জিয়ার বিএনপি’তে যোগদান করেন। জাতীয় পার্টি তাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং বিএনপি তাকে পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেয়। তার রাজনৈতিক জীবনের পুরোটাই খরচ করেছেন বাংলাদেশ বিরোধী চক্রে; বাস্তবায়ন করেছেন পাকিস্তানের এজেণ্ডা।

বিএনপি’র মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপনের বিবৃতি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে বিতর্কিত করেছে। আইনবিদগণ বিএনপি’র এ কাজকে আদালত অবমাননা এবং রাষ্ট্রদোহিতা বলে মন্তব্য করেছেন। উল্লেখিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, “একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের চলমান বিচার স্বচ্ছতার সঙ্গে হচ্ছে না; তিনি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য সচেষ্ট ছিলেন। আদালত তার উপস্থাপিত দাবীগুলো যদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেন, যাচাই-বাছাই করতেন, তা যদি আমলে নিতেন তাহলে হয়ত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ন্যায় বিচার পেতে পারতেন। হয়ত তাকে ফাঁসির সম্মুখীন হতে হত না।” বিএনপি’র এই দাবী নির্লজ্জ মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। সাকা ট্রাইবুন্যালে এবং সুপ্রিম কোর্টে যতগুলো সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন তার সবগুলোই আদালত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। সবগুলোর উপর মন্তব্য দিয়ে গ্রহণ বা বর্জন করেছেন। রিভিউ পিটিশনের উপর শুনানির সময় তার আইনজীবীর উপস্থাপিত দলিল হচ্ছে একজন অধ্যাপকের দেয়া ‘সনদ’ এবং একটি ‘প্রশংসাপত্র’। তিনি আদালতে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোন সনদ উপস্থাপন করতে পারেননি। এমনকি সনদ এবং প্রশংসাপত্রের মধ্যে অনেক বৈসাদৃশ্য রয়েছে। আদালত ওইসব কাগজপত্রকে বানোয়াট বিবেচনা করে বাতিল করে দিয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট এই ভুয়া দলিল সম্পর্কে মন্তব্য করেছে, “একটি মিথ্যা ঢাকতে শত মিথ্যা বলা হচ্ছে”। অন্যদিকে একাত্তরে সাকা বাংলাদেশে ছিলেন তার বহু প্রমাণ রয়েছে। বহুলোক আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন; তার গাড়িতে একাত্তরে গুলি করেছিল মুক্তিযোদ্ধারা। সে খবর পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। যুদ্ধাপরাধী সাকার পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে বিএনপি নির্জলা মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে। ভুয়া কাগজ দাখিল করা, মিথ্যাচার করা বিএনপি’র জন্য নতুন কিছু নয়। অতীতে বহুবার বিএনপি এমন মিথ্যার বেসাতি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিণ কংগ্রেস নেতাদের স্বাক্ষর জাল করে মিথ্যা বিবৃতি বানিয়ে তা গণমাধ্যমে উপস্থাপন, বিজেপি নেতা অমিত শাহের সঙ্গে বিএনপি নেত্রীর ভুয়া ফোনালাপের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ এবং মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন টাইমসে নিজ নামে প্রবন্ধ ছাপিয়ে বাংলাদেশ রাজনীতিতে আমেরিকানদের হস্তক্ষেপ কামনা করে, জিএসপি বাতিলের সুপারিশ করে পরবর্তীতে মহান জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বেগম জিয়া তা অস্বীকার করেন।

Reneta

২০১৩ সালের হেফাজত ও জামায়াতের সঙ্গে ধর্মীয় মৌলবাদী এবং যুদ্ধাপরাধী রক্ষা আন্দোলন করে পরাস্থ হয়ে এবং ২০১৫ সালে মানুষ পোড়ানো আন্দোলন করে সকল রাজনৈতিক মূলধন খোয়ানো বিএনপি’র জনসমর্থন এখনো ত্রিশ শতাংশের উপড়ে নয়। এই হার দিন দিন নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। ক্রমহ্রাসমাণ জনসমর্থন ছাড়াও বিএনপি’র রয়েছে শুশিল সমাজ, পাকিস্তান ও সৌদি আরব কেন্দ্রিক মধ্যপ্রাচ্য সমর্থন এবং পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের সমর্থন। এত ব্যাপক এবং শক্তিশালী সমর্থন নিয়ে চলা একটা রাজনৈতিক দলের পক্ষে মিথ্যাচার করে ঘৃণীত ঘাতকদের সমর্থন করা একেবারে বেমানান। এসব মিথ্যাচার এবং ঘাতকদের প্রতি সমর্থন তাদের সমর্থকদের মুখে চুনকালি মেখে দেয়। যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষাবলম্বন করা বিএনপি’র জন্য নতুন কিছু নয়। বিএনপি’র জন্মই হয়েছে একাত্তরের ঘাতকদের প্রতিষ্ঠা করার জন্য।

জেনারেল জিয়া রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেই বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তনের নামে যুদ্ধাপরাধী রাজনৈতিক দলগুলোকে স্বাধীন বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার দিয়েছেন, রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা দিয়েছেন; মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যদের হত্যা করেছেন; মুক্তিযুদ্ধকালীন যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে বিচারাধীন এগার হাজার যুদ্ধাপরাধীকে এক সামরিক ফরমান জারীর মাধ্যমে ‘৭৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর মুক্তি দিয়েছেন; যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়েছেন, শাহ আজিজ এবং গোলাম আযমদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনেছেন। পরবর্তীতে তার স্ত্রী যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াত, নেজামে ইসলামসহ অন্যান্যদের নিয়ে রাজনীতি করেছেন, করছেন। বেগম জিয়া রাজাকার আব্দুল মতিন চৌধুরী, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধী মুজাহিদ, মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী নিজামীকে মন্ত্রী বানিয়েছেন; মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছেন, বিএনপি’র স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য বানিয়েছেন।

২০১০ সালে নতুন করে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হলে বেগম জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালকে বিতর্কিত করার অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে; যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করার জন্য জামায়াতের সঙ্গে একত্রে হরতাল করেছেন, জামায়াতের হরতালে নৈতিক সমর্থন দিয়েছেন। তিনি জনসভায় যুদ্ধাপরাধীদের ‘রাজবন্দী’ বলে সম্বোধন করেছেন। আরেক জনসভায় বলেছেন, “নিজামী, মুজাহিদ, কাদের মোল্লা এরা কেউ যুদ্ধাপরাধ করে নাই”।

জঙ্গিবাদী, মৌলবাদী, যুদ্ধাপরাধী, স্বাধীনতা বিরোধীদের পক্ষাবলম্বন করতে করতে স্বাধীন বাংলাদেশে রাজনীতি করার জন্য আর কোন মূলধন বিএনপি’র হাতে অবশিষ্ট নেই। জন্মই বিএনপি’র আজন্ম পাপ। স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের ঔরসে জন্ম নেয়া বিএনপি’র পক্ষে যুদ্ধাপরাধীদের পাহারা দেয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই। পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের দাস বিএনপি’র রাজনীতি হচ্ছে – শুধুই মালিকের আদেশ পালন করে যাওয়া। নিজেদের জন্য বা দেশের জন্য রাজনীতি করার ফুরসৎ তারা কখনোই পায়না। নিজেদের রাজনীতি বলতে তাদের কিছু নেইও। তারা শুধুই হুকুমের দাস। সাম্রাজ্যবাদীদের আর তাদের বশংবদ চক্রের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করাই তাদের নিয়তি। প্রভুদের আজ্ঞা পালনের জন্য বিকৃত, ঘৃণিত সাকার পক্ষেও তাদের কথা বলতে হয়। প্রভুদের আজ্ঞা পালনের পুরস্কার হিসেবে দ্বিচারী পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীরা, বর্বর আরবেরা, ধর্মীয় জঙ্গিবাদীরা, স্বাধীনতা বিরোধী উচ্চ বংশীয় ধনবানেরা, শুষিল সমাজ, কিছু সুবিধাবাদী রাজনৈতিক নেতা-কর্মী আর কিছু বিভ্রান্ত মানুষ এখনো রাজনৈতিক মূলধন শূন্য, ঋণগ্রস্থ বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।

বিএনপি সৃষ্ট বিভ্রান্তিকর রাজনীতির শিকার যে যৎসামান্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তি এখনো বিএনপিতে আছে তারাও ধীরে ধীরে দল থেকে সরে যাচ্ছে। চলমান জঙ্গিবাদ দমন কার্যক্রমের সাফল্যের সঙ্গে সঙ্গে কেটে যাবে অনেক বিভ্রান্তি। তখন এদের জন্য ঋণ গ্রহণের সুযোগও আর অবশিষ্ট থাকবে না। জঙ্গিদের, যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ না ছাড়লে আগামী দুই/তিন বছর পরে বিএনপি নামক দলটিকে শুধু ইতিহাসের পাতায় পাওয়া যাবে।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: মতামত
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ইতালির ফুটবল পথে ফেরাতে মালদিনির পছন্দের তালিকায় গার্দিওলা

জুলাই ১৩, ২০২৬

লাল-হলুদ কার্ডের কাহিনীতে জড়িয়ে আন্তোনিও রাতিন, ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা বৈরিতার শুরু যেখানে

জুলাই ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

চ্যানেল আইয়ের সঙ্গে ঢাবির টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের সহযোগিতা চুক্তি

জুলাই ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সংস্কৃতি ও জনপদের এক অনন্য দলিল ‘চ্যানেল আই অনলাইন’

জুলাই ১৩, ২০২৬

আসমা আল-আসাদ: লন্ডন থেকে সিরিয়ার রক্তাক্ত রাজনীতি ও ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে

জুলাই ১৩, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT