একঝাঁক মেধাবী শিক্ষার্থী সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে শিক্ষিত করে গড়ে তুলছেন সমাজের বঞ্চিত আর অবহেলিত কয়েকজন শিক্ষার্থীকে। তারা বলেছেন, অন্যের জন্য কিছু করাতেই আছে সত্যিকারের আনন্দ।
দুপুরের আগে স্কুল শেষ হওয়ায় এই শিশুরা এখন বিশ্রামে। তবে অবসরের খুব একটা সময় নেই তাদের। কারণ বিকেল ৩টায় তাদের পড়াতে আসবেন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাইসা। অনাথ এসব শিক্ষার্থীদের আরো পড়ান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা বলছেন: আমরা যখন খুব ছোট তখন এখানে এসেছি। এখানে আসার পর আমরা কিছু শিখতে পারছি। আমাদের যে দেখাশুনা করে তাকে আমরা মা বলে ডাকি। তিনি আমাদের খুব আদর করেন।
মজায় মজায় লেখাপড়া, ক্লাশ শেষ হওয়ার পরেই অংক আর বিজ্ঞান পড়াতে আসেন ইবনেসিনা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী রিয়া।
তার বলছেন, আমরা যখন দেখলাম এখানে গতানুগতিক শিক্ষার ব্যাবস্থা নেই। আমরা পরিবার থেকে যে শিক্ষা পেয়ে থাকি সেটাই এখানে দেওয়া হচ্ছে। তারপরও আগামীর জীবনে যেনো তাকে কোন অপ্রীতিকর অবস্থার সম্মুখিন হতে না হয়। সেভাবে যেনো এরা ঘড়ে ওঠতে পারে। এজন্যই মূলত আমাদের এখানে আসা।
হাজেরা বেগম ২০১০ সাল থেকে এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করানোর পড় কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চান এই শিশুদের।
হাজেরা বেগম বলেন, এই সমাজের প্রতিটি মানুষের জানার অধিকার আছে কারা নব জাতককে রাস্তায় ফেলে দেয়, আবার এও জানার অধিকার আছে কারা তাদের আশ্রয় দেয়। সত্য পরিচয় নিয়েই বেড়ে উঠুক প্রতিটি শিশু এমনটাই চাওয়া হাজেরা বেগমের ।




