সাকিব আল হাসানকে ছাড়া টেস্টে আগেও বহুবার খেলেছে বাংলাদেশ। চোট-বিশ্রামের কারণে দলে না থাকায় তাইজুল ইসলামকে নেতৃত্বে দিতে হয়েছে বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণে। কখনো এমনও হয়েছে, এক সিরিজ আগেই দারুণ বোলিংয়ের পরও বাদ পড়তে হয়েছে, একাদশে এক বাঁহাতি স্পিনার রাখার সিদ্ধান্তের ফলে। কেননা অলরাউন্ডার সাকিব তো সবসময়ই অটোমেটিক চয়েস।
এমন একজন ক্রিকেটার সাকিবের টেস্ট অধ্যায় একরকম শেষই বলা যায়। সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুর টেস্ট খেলে ক্রিকেটের অভিজাত আঙিনা থেকে বিদায় নিতে চেয়েছিলেন সাকিব। সেটি হয়নি নিরাপত্তা ইস্যুতে দেশে ফিরতে না পারায়।
সাকিবের অনুপস্থিতিতে আবারও বাংলাদেশের বোলিংয়ে হাল ধরেছেন তাইজুল। প্রথমদিনে প্রোটিয়াদের ৬ উইকেটের ৫টিই নিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার। সাকিবের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি বোলার হিসেবে ২০০ উইকেট দখলের মাইলফলকে নাম লিখিয়েছেন।
মিরপুর টেস্টের প্রথমদিনের খেলা শেষে তাইজুলকে নিয়ে বন্দনা যেমন হয়েছে, তেমনি প্রতিটি প্রশ্নেই ঘুরেফিরে এসেছে সাকিব প্রসঙ্গ। তাইজুলও দিয়েছেন সোজাসাপ্টা উত্তর।
‘সাকিব ভাই নেই, সাকিব ভাই ছাড়া আমি খেলিনি তা তো না। অনেক ম্যাচ সাকিব ভাইকে ছাড়া খেলেছি। এমনকি আমরা যখন নিউজিল্যান্ডে টেস্ট জিতেছি, সাকিব ভাই ছিল না। আমরা যখন আমাদের এখানে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জিতেছি, সাকিব ভাই ছিল না। এমন অনেক উদাহরণ আছে। আসলে আপনি তো একটা খেলোয়াড়কে ৫০ বছর খেলাতে পারবেন না। একজন আসবে একজন যাবে, ১০ বছর, ১৫ বছর বেশি হলে ২০ বছর। এটা মেনে নিতেই হবে।’
‘কোনো সন্দেহ নেই উনি (সাকিব) একজন ভালো খেলোয়াড় ছিলেন। আমরা দোয়া করবো আপনারাও দোয়া করবেন উনার মতো যেন আরেকজন আসে বা এখন যারা আছে তারাও যেন ভালো পারফরম্যান্স করে।’







