রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয়ে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে বার্সেলোনা শিবিরে। কিন্তু মেসি-সুয়ারেজদের খেলায় মন ভরেনি সমর্থকদের। মাঠে সেই ক্ষুরধার বার্সার দেখা যে মেলনেনি। এরমধ্যেই আবার বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফিরতি লেগ জুভেন্টাস-পরীক্ষা। তারপরই আছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে প্রতীক্ষিত এল ক্লাসিকো। গত মাসে কয়েকটি হারের ক্ষত নিয়ে বার্সা কি পারবে মৌসুমের শেষটা রাঙাতে? লুইস এনরিকে অবশ্য আত্মবিশ্বাসী। জানালেন, সম্ভাব্য সবকটি শিরোপার জন্য শেষবিন্দু দিয়ে লড়তে প্রস্তুত তার দল। লিগে সর্বশেষ জয়টি তাকে আত্মবিশ্বাসের রসদ যোগাচ্ছে।
লাল কার্ড আর রেফারিকে ব্যঙ্গ করে লা লিগায় তিন ম্যাচের জন্য নেইমারকে পাচ্ছে না বার্সা। এল ক্লাসিকোতেও থাকছেন না এই ব্রাজিলিয়ান। শনিবার যদিও নেইমারের অনুপস্থিতি বুঝতে দেননি মেসি। সোসিয়েদাদের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন, একটি করিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তাতেই স্বস্তি পাচ্ছেন এনরিকে, ‘আমি আমার দলের এই ধরন নিয়ে খুব সন্তুষ্ট। কারণ আগের হারগুলো আমাদের কাঁধে পাথর হয়ে চেপেছিল। এই জয় সেই বোঝা নামিয়েছে।’
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে পিএসজির বিপক্ষে ৪-০ গোলে হেরে এসেছিল বার্সা। পরে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় কাতালান দলটির ওপর। কিন্তু নিজেদের মাঠে ৬-১ গোলের রূপকথার জয়ে ঠিকই কোয়ার্টারের টিকিট অর্জন করে নিয়েছিল এনরিকে বাহিনী। কোয়ার্টারের প্রথম লেগে প্রায় একই পরিস্থিতিতে পড়েছে বার্সা। জুভেন্টাসের মাঠ থেকে ৩-০ গোলে হেরে এসেছে। তারপর আবারো এনরিকের মাঠের কৌশল নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সেসব সমালোচনা খেপিয়ে তুলেছে বার্সা বসকে। যা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ করছে এনরিকেকে, ‘আমরা লিগের শেষ পর্যন্ত নিজেদের শেষবিন্দু দিয়ে লড়াই করে যাবো। মনে রাখা উচিত এই দলটায় সর্বজয়ী অনেক খেলোয়াড় আছে। যারা আমাদের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলে তাদের এবার মুখটা বন্ধ রাখা উচিত।’
সোসিয়েদাদের বিপক্ষে স্বস্তির জয়টি জুভেন্টাসের বিপক্ষে লড়াইয়ের রসদ যোগাচ্ছে এনরিকেকে। রিয়ালের থেকে এক ম্যাচ বেশি খেলে তিন পয়েন্ট পিছিয়ে থাকার পরও যোগাচ্ছে লা লিগা শিরোপা জয়ের সাহস। বললেন, ‘সোসিয়েদাদ ম্যাচের ফলাফলটা আমাদের জুভেন্টাসের বিপক্ষে লড়াইয়ের আগে চাঙ্গা করছে। এই জয় ইঙ্গিত দেয় যে, আমরা ফিরে আসতে পারি। ৯০ মিনিট পর্যন্ত লড়ে ইতিবাচক ফলও আনতে পারি।’







