সেরা তিনে ছিলেন না লিওনেল মেসি, ছিলেন না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, নেইমার-এমবাপেও। এবার ম্যানচেস্টার সিটি মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইন ও চেলসির সতীর্থ মিডফিল্ডার এনগোলো কান্তেকে পেছনে ফেলে উয়েফার বর্ষসেরা হয়েছেন জর্জিনহো।
বৃহস্পতিবার রাতে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ঝলমলে অনুষ্ঠানে হয়ে গেল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নতুন মৌসুমের গ্রুপপর্বের ড্র। একই মঞ্চে উয়েফার বর্ষসেরা ফুটবলারের নামও ঘোষণা করা হয়। তাতে জয়জয়কার চেলসি ও ইতালির মিডফিল্ডার জর্জিনহোর।
বর্ষসেরা কোচের দৌড়ে ইতালিকে ইউরো জেতানো রবের্তো মানচিনি, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ রানার্সআপ ও প্রিমিয়ার লিগ শিরোপাজয়ী ম্যানচেস্টার সিটির পেপ গার্দিওলাকে পেছনে ফেলে সেরা হয়েছেন চেলসিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতানো থমাস টুখেল।
২০২০-২১ মৌসুমের বর্ষসেরার সংক্ষিপ্ত তিনের তালিকায় মহাতারকা লিওনেল মেসি ছিলেন চারে, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো নয়ে এবং নেইমার দশের বাইরে।
বর্ষসেরা জর্জিনহো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন চেলসির হয়ে, সঙ্গে ইতালির হয়ে ইউরো জিতেছেন। ইতিহাসের মাত্র নবম খেলোয়াড় হিসেবে একই বছরে ইউরোপিয়ান কাপ ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ডাবল জিতেছেন ২৯ বছর বয়সী তারকা। দুই দলেই মিডফিল্ডে তার ভূমিকা ছিল সেরা হওয়ার মতোই।
তালিকার বাকি দুইজন, বেলজিয়ান মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রানার্সআপ ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগ জিতেছেন। গার্দিওলার তুরুপের তাস ছিলেন। চার বছরে তৃতীয়বার ক্লাবকে লিগ শিরোপা দিতে ভূমিকা রেখেছেন। ৪ গোলের সঙ্গে ৩টি অ্যাসিস্ট আছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে, ৩০ বর্ষী তারকা হয়েছেন আট ম্যাচ খেলে তিন ম্যাচে সেরা খেলোয়াড়।
বাকিজন, ফ্রান্সের এনগোলো কান্তে চেলসির হয়ে জিতেছেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। মৌসুমজুড়ে প্রতিপক্ষের জন্য ত্রাস হয়ে ছিলেন। ৩০ বর্ষী ফরাসি তারকা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমির দুই লেগে রিয়ালের বিপক্ষে ও ফাইনালে ম্যানসিটির বিপক্ষে হয়েছেন ম্যাচসেরা।
এবার চারে থাকা মেসির পাশে গেছে ১৪৮ পয়েন্ট। পাঁচে বায়ার্নের পোলিশ তারকা রবার্ট লেভানডোভস্কি, ১৪০ পয়েন্ট। ছয়ে ইতালির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুমা, পয়েন্ট ৪৯। ফ্রান্সের কাইলিয়ান এমবাপের পয়েন্ট ৩১, তালিকার সাতে। ইংল্যান্ডের রাহিম স্টার্লিং আটে, ১৮ পয়েন্ট নিয়ে। নয়ে পর্তুগিজ রোনালদোর ১৬ পয়েন্ট। দশে নরওয়েজিয়ান আর্লিং হালান্ড ১৫ পয়েন্টে।








