নেপালে বিধ্বস্ত উড়োজাহাজের যাত্রী সাংবাদিক ফয়সাল সর্দার চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দুদিন আগেও সাংবাদিকদের এক নৌবিহারে পুরস্কৃত হয়েছিলেন তিনি।
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বৈশাখী’র হয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিটের খবর কভার করতেন তিনি। ফয়সালের গ্রামের বাড়ি শরিয়তপুর। বাবা-মা দুজনেই গ্রামের বাড়িতে থাকেন।
সোমবার দুপুর তিনটার দিকে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজটি নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভূবন এয়ারপোর্টের কাছাকাছি বিধ্বস্ত হয়।
দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে নেপালে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আহত ১৬ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে।
একটি ছবিতে অক্সিজেন মাস্ক পরিহিত চিকিৎসাধীন ফয়সালকে দেখা যায়। ছবিতে তিনি ক্যামেরার দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন।
ফ্লাইটের যাত্রীদের তালিকায় ফয়সালের নাম রয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ফেসবুকে একুশে টিভির স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট দিপু সারওয়ার তার দুর্ঘটনাকবলিত উড়োজাহাজে ভ্রমণের কথা লিখেছেন।
দুর্ঘটনায় আহত ১৬ জনের মধ্যে তিনজন আছেন আইসিইউতে। এসএইচসিইউতে আছেন দুইজন।সার্জারি ওয়ার্ডে তিনজন, অর্থপেডিকস ওয়ার্ডে দুইজন, প্লাস্টিক ও নিউরোসার্জিারি ওয়ার্ডে আছেন একজন করে। এছাড়া চারজনকে রেফার্ড করা হয়েছে বলে মেডিকেল কলেজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

তিনদিন আগেই আওয়ামী লীগ বিটের রিপোর্টারদের নৌবিহারের রাফেল ড্র’তে প্রথম পুরস্কার পেয়েছিলেন ফয়সাল। পুরস্কার হিসেবে ৪০” সনি ব্রাভিয়া টিভি পেয়েছিলেন। তার হাতে পুরস্কার তুলে দিচ্ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রেসিডেন্ট ও বৈশাখী টিভির সিএনই সাইফুল ইসলাম।
গত ৯ মার্চের একটি ফেসবুক পোস্টে সেই সময়ের হাস্যোজ্জ্বল ফয়সালকে দেখা যায়। পুরস্কার প্রাপ্তির জন্য তাকে অভিনন্দন জানানো হয়।







