চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

উন্নয়ন সাংবাদিকতা: কী, কেন, কোন পথে?

শাইখ সিরাজ শাইখ সিরাজ
১১:১০ পূর্বাহ্ণ ১৯, মার্চ ২০১৬
মতামত
A A

তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশে বা বিশ্বের দরিদ্রতম, অনুন্নত দেশে যখন ‘উন্নয়ন’ শব্দটি উচ্চারিত হয় তখন প্রথমেই যা ধারণায় আসে তা হলো খাদ্য, বাসস্থান, স্বাস্থ্য, শিক্ষা আর কৃষি উন্নয়নে এই দেশগুলো কতটুকু এগিয়েছে। হয়তো আরও কিছু সূচকের কথাও উঠে আসবে। উল্টোদিকে পশ্চিমা বিশ্বের দিকে তাকালে হয়তো প্রযুক্তি, আধুনিকতা, কর্মসংস্থান, ভালো বেতন- এসব উন্নয়নের কথাই উঠে আসবে। পশ্চিমা দুনিয়াতে এমন ধারণাটি অস্বাভাবিক নয়।

যদি বাংলাদেশের উদাহরণটি টানি, তাহলে সত্যিকারের উন্নয়ন বলতে বোঝাবে মানুষের উন্নয়ন, তাদের জীবনযাত্রার মানের পরিবর্তনের বিষয়টি। আর এ কাজটি ত্বরান্বিত করতে সমাজের দর্পন, গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। গণমাধ্যম নামক এই স্তম্ভটির কাজের ব্যাপ্তি অনেক। এরই সুত্র ধরে বলতে হয় মানবকল্যাণের পেছনে সাংবাদিকতার গুরুত্ব’ও তেমনি কম নয়। তাই উন্নয়ন সাংবাদিকতার ধরণ-ধারণ, পটপরিবর্তন উন্নত দেশগুলোতে যেমন একদিকে ঝুঁকেছে, ঠিক তার উল্টোদিকের ভিন্ন একটি সড়কে উন্নয়নশীল, অনুন্নত আর দরিদ্রতম দেশগুলোতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের পথ রচনায় এগিয়ে এসেছে এক ভিন্ন চরিত্রের উন্নয়ন সাংবাদিকতা।

এশিয়া মহাদেশে ষাটের দশকের শেষ দিকে উন্নয়ন সাংবাদিকতার শুরু। তখনকার নব্য স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোতে উন্নয়নের লক্ষ্যে যোগাযোগের ধারণাটি যখন রাজনৈতিক এবং বিদ্যাজাগতিক সমর্থন পেয়েছিলো, ঠিক তখন থেকেই। সে সময় উন্নয়ন সাংবাদিকতাকে মূল্যায়ন করা হয় জাতীয় উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে। বোঝাই যাচ্ছে এই সাংবাদিকতার গুরুত্ব কতখানি।

ধীরে ধীরে, অন্যান্য মহাদেশেও ছড়িয়ে পড়ে এই ‘নতুন’ সাংবাদিকতার ধারণা, বিশেষ করে আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায়। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে চলার পথে আবিষ্কৃত হয়েছে নতুন নতুন নিয়ম, ধারণা, এবং অনালোকিত অনেক কিছুই হয়েছে আলোকিত। তবে, বলতেই হচ্ছে উন্নয়ন সাংবাদিকতার নতুন নতুন ধারণাগুলো এখনো সন্নিবেশিত হয়নি বিদ্যাজাগতিক পরিমন্ডলে, সাংবাদিকতার অধ্যয়নে।

অন্য যে বিষয়টিতে আমি আলোকপাত করতে চাই তা হলো তাত্ত্বিক বিষয়গুলোর সঠিক বিশ্লেষণের কাজ এখনো অনেক বাকি আর এই কাজ শেষে মাঠে প্রয়োগের জন্য প্রয়োজন আরও অনেক বেশি পেশাদারিত্বের। আমি দীর্ঘদিন যাবত উন্নয়ন সাংবাদিকতার পথে হাঁটছি।কাজ করছি।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উন্নয়ন সাংবাদিকতা বলতে একটু বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে শুধুমাত্র কৃষি সাংবাদিকতা’র ইস্যুটিকে। এখানে আমার দ্বিমত রয়েছে। যদিও এই ধারা বা ধারণার পরিবর্তন ঘটে আশির দশকের শুরুতে।

Reneta

২০১১ সালে আমার জন্মদিন উপলক্ষে জন্মদিনের আগের দিন একটি লেখার মাধ্যমে আমাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন সাংবাদিকতার দিকপাল প্রয়াত সাংবাদিক এবিএম মূসা। ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১১ তারিখে প্রথম আলো-তে প্রকাশিত সেই লেখায় তাঁর দেওয়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরছি এখানে।

“ইউনেস্কো তথা জাতিসংঘ শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংস্থার প্রধান হয়েছিলেন একজন আফ্রিকানবাসী এখ’বোবো। তিনি জিকির তোলেন পশ্চিমা সংবাদপত্রে অনুন্নত দেশগুলোর শুধু ‘ডেথ অ্যান্ড ডিজাস্টার’- মৃত্যু আর দুর্যোগের খবর পরিবেশন করে। একটি বিপরীত ধারার সাংবাদিকতার প্রচলন করতে হবে। নাম দিলেন ডেভেলপমেন্ট জার্নালিজম। উন্নয়নমুখী করতে বা অর্থনৈতিক উন্নয়নে উৎসাহ দান করতে দরিদ্র দেশের জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তাঁরা চাইতেন, এশিয়া-আফ্রিকার দেশের দরিদ্র জনগণ আমেরিকার গম সাহায্য পি-এল-৪৮০, বিশ্বব্যাংকের ভিক্ষার ওপর চিরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্তি পাবে। তাঁর প্রেরণায় আজকের ডেভেলপমেন্ট জার্নালিজম, উন্নয়নকামী সাংবাদিকতার সূচনা হলো। কালক্রমে তাঁর প্রেরণাদায়ী উন্নয়ন সাংবাদিকতার বিস্তারের কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সর্বক্ষেত্রে বিস্তার লাভ করেছে। আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার, অধিক ফলনের জন্য সার প্রয়োগ আর উন্নত জাতের বীজ উৎপাদনের ধারণা উন্নয়নশীল দেশের কৃষকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। বেশ কিছু দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলো। পশ্চিমা দেশের গম-চাল-অর্থের ওপর নির্ভরতার অবসান হলো। সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্র সম্পর্কে বিভিন্ন দেশের জনগণ, সরকার ও গণমাধ্যমের ধারণার পরিবর্তন হলো। যেসব দেশ শিল্প বিস্তার অথবা ছোটখাটো শিল্প-বিপ্লবের সম্ভাবনার কথা ভাবছিল, তারা ‘কৃষি-বিপ্লবের’ বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিল। উন্নয়নকামী উল্লিখিত দেশসমূহে কৃষি-বিপ্লব শুরু হয়ে গেল ‘নিত্যব্যবহার্য দ্রব্যের, স্টেপল ফুডের তথা মূল খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির আধুনিক পদ্ধতি গ্রহণ ও প্রয়োগের মাধ্যমে। ফিলিপাইনে স্থাপিত ইন্টারন্যাশনাল রাইস ইনস্টিটিউট (ইরি) বহু ফলনশীল সব মৌসুমে চাষোপযোগী ধান আবিষ্কার করল। এ পদ্ধতি বিস্তার লাভ করল কৃষিপ্রধান দেশগুলোতে। গম উৎপাদনকারী ভারত, পাকিস্তানে এল মেক্সিকো হুইট, নতুন প্রজন্মের গম।”

মনে পড়ছে আশির দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, অধিক ফলনের জন্য সার আর উন্নত বীজ উৎপাদনের ধারণা, সেচ পদ্ধতির নানা বিষয় নিয়ে তখন অবিরাম প্রচারণা করেছি। এবিএম মূসা’র এই উদ্ধৃতির মাধ্যমে তাঁকে গভীর শ্রদ্ধায় আবারও স্মরণ করছি।

উন্নয়ন বলতে তো শুধুমাত্র কৃষি বোঝায় না। বোঝায় সমাজ বা রাষ্ট্র উন্নয়নের অন্য সূচকগুলোকেও। যেখানে চলে আসে সমাজবিজ্ঞান, নৃবিজ্ঞান, ভূগোল আরও কত না বিষয়-আশয়। এখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষের সময়। ভাবতে হবে একটু অগ্রগামী হয়েই।

আমাদের দেশের তরুণ সাংবাদিকরা যারা উন্নয়ন সাংবাদিকতায় আসছেন বা আগ্রহী, তাদের উচিত হবে আরও সামগ্রিকভাবে ‘উন্নয়ন’ শব্দটির এবং এর বলয়ের বিচার-বিশ্লেষণ করা। বর্তমানের ‘উন্নয়ন সাংবাদিক’-কে হতে হবে একজন সচেতন সমাজ-উদ্যেক্তা যার চোখে ধরা পড়তে হবে সমাজের প্রতিটি স্তরের ফাঁকগুলো। অনুসন্ধানী চোখে সে রাষ্ট্রকে সহযোগিতা করবে যাতে নীতিনির্ধারণী মহলে প্রভাব পড়ে এবং সরকার জরুরি পদক্ষেপ নিয়ে সমস্যাগুলোর দ্রুত নিরসন করে। আর সেভাবেই তো সূচিত হয় মানব উন্নয়ন। উন্নয়ন সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমষ্টির কল্যাণ নিশ্চিত হতে হবে। সমাজের অগ্রগতি সাধিত হতে হবে। আর এ অবদানগুলোর ফলেই মানব সমাজ সামনে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশে যার অনেকটাই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে এখনো অনেক কাজ বাকি।

যদি কৃষি উন্নয়নের কথাই বলি, তাহলে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে। সনাতন পদ্ধতির কর্মসংস্থানের বিপরীতে তুলে আনতে হবে আত্মকর্মসংস্থান, আত্মোন্নয়নের গল্পগুলো যাতে অন্য আরেকজন অনুপ্রাণিত হয়, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি হয়। রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের সুস্পষ্টভাবে বোঝাতে হবে উন্নয়নের আওতায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন’ও রয়েছে। নইলে ফসল উৎপাদন করে একটি ব্রিজ বা ভালো রাস্তার অভাবে মার খেতে পারে কৃষকের কষ্টার্জিত উৎপাদন। কৃষি বীমার কথা মনে করিয়ে দিতে হবে বারবার কারণ জলবায়ুগত পরিবর্তন এখন একটি বৈশ্বিক ইস্যু। বলতে হবে ভালো একটি সড়ক থাকলে একজন মুমুর্ষূ রোগীকে যেমন দ্রুত চিকিৎসাসেবা দেওয়া যাবে তেমনি নিশ্চিত করা যাবে কৃষকের বাজার। ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থায় পাল্টে যাবে অনেক কিছু- এ বিষয়টি তুলে ধরাও উন্নয়ন সাংবাদিকতার বিরাট অংশ। এটাই আমার কাছে উন্নয়ন সাংবাদিকতার নতুন সংজ্ঞায়ন। আর, তা হাতে-কলমে প্রয়োগ করাই হবে উন্নয়ন সাংবাদিকতার অর্জন। গণমাধ্যম এখানে হবে ‘সহায়ক’ শক্তি আর নিশ্চিতভাবেই তা হবে ফলপ্রসূ।

পুরো বাংলাদেশ জুড়ে ছড়িয়ে আছে উন্নয়নের গল্প। জনগণের বড় অংশটি হলো স্বল্পশিক্ষিত বা নিরক্ষর বা বহুলাংশে নিজেদের ন্যায্য প্রাপ্য, সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত। এদের ভেতর অবহেলিত নারী, শিশুরা আছে। পুরুষ আছে, আছে নবীন-প্রবীণ। বাংলাদেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক মেরুদন্ডের কারিগর তো এরাই। সব বাধাবিপত্তি উপেক্ষা করে এদের অবদানেই তো আজ বাংলাদেশ বর্তমান অবস্থানে।

এই জনগোষ্ঠীকে উজ্জীবিত করার মানেই হলো গোটা জাতিকে উজ্জীবিত করা এবং দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা। উন্নয়ন সাংবাদিককে সেক্ষেত্রে একজন কার্যকর ‘উজ্জীবক’ হিসেবেও কাজ করে যেতে হবে। সমাজ পরিবর্তনের একজন গুরুত্বপূর্ণ রুপকার হিসেবে এগিয়ে আসতে হবে নিজ দায়িত্বে। রাষ্ট্রের মূল রস যেখানে, সেই মাটির কাছেই ফিরে যেতে হবে। সেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কথাই ভাবতে হবে; সেখানেই তো সকল অনুপ্রেরণা আর সাফল্য লুকিয়ে আছে।

অনেকাংশেই উন্নয়ন সাংবাদিকতাকে ‘নিরস’ একটি বিষয় বলে আখ্যায়িত করা হয়। এই বিষয়টির সাথেও আমি ভিন্নমত পোষণ করি। আশির দশকে যখন বাংলাদেশ টেলিভিশনে কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠান শুরু করি, তখন বন্ধু-বান্ধব প্রায়ই বলতো এ কেমন সাংবাদিকতা, কী হবে, ভবিষ্যত কী?

এমন অনেকগুলো ‘প্রশ্নবোধক’ চিহ্ন নিয়ে উন্নয়ন সাংবাদিকতায় আমার কাজ শুরু। এমন প্রশ্ন সে সময় পরিবার থেকেও কম ওঠেনি। কিন্তু স্বাধীনতা উত্তর সময়ে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করেছি নিবিড়ভাবে, প্রথমে শিল্পোন্নয়ন নিয়ে পরে কৃষি ও সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে। এবং আজকের দিনটি পর্যন্ত কাজ করে চলেছি। কারণ আমি জানতাম এ মাটিতে সোনা আছে। শুধু মাটি ও মানুষের শক্তিকে এক করাই ছিলো আমার কাজ। অমিত সম্ভাবনার এই বাংলাদেশ যেন ঘুরে দাঁড়াতে পারে, যেনো দেশটির প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়ন সাধিত হতে পারে, তাই ছিলো আমার কাজের মূল লক্ষ্য। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, নিজের কাজের ওপর আস্থা রাখা এবং সততা’ও কিন্তু একজন সাংবাদিকের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

আমি দেখেছি খোদ যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও যোগাযোগ বিভাগ জানে না উন্নয়ন সাংবাদিকতা কী জিনিস? তাই লেখার শুরুতে পশ্চিমা বিশ্বে ‘উন্নয়ন’ শব্দটির ভিন্ন ব্যাখ্যা করেছি। পরে ওদের বুঝিয়েছি অপুষ্টি দুর করতে কী কী প্রয়োজন এবং তা সাজিয়ে তথ্যের মাধ্যমে উপস্থাপনের মানেও কিন্তু উন্নয়ন সাংবাদিকতা। এভাবে তাদের ভুরি ভুরি উদাহরণ দিয়েছি। একই অভিজ্ঞতা হয়েছে যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস্ এরকম সব উন্নত দেশগুলোতে কাজ করতে গিয়ে। তারা উন্নয়ন বলতেই বিদ্যুত, টেকনোলজি আর বড় বড় দালানকোঠা বোঝে, বোঝে গেমিং। বোঝে উইন্ড টারবাইন, আইসিটি, সার্ভার ম্যানেজমেন্ট, মোবাইল ডিভাইস, ট্যাবলেট আর অত্যাধুনিক গ্রিন হাউজ। বুঝতে চায় না এসব শক্তির মূল উৎস্যটি কী, কোথায় বা এই শক্তির কারিগর কারা?

ষাটের দশকে সবুজ বিপ্লব ও এর আগে শিল্প বিপ্লব এর নতুন ধারণা, জ্ঞান, উৎকর্ষ সবই গণমাধ্যমের কল্যাণে মানুষের কাছে পৌঁছেছে। প্রায় ষাট বছর পর এখন পুরো বিশ্ব বৈরি প্রকৃতির মুখোমুখি। বৈশ্বিক উষ্ণতা আমদের চেপে ধরেছে। প্রকৃতির রুদ্রমূর্তি আমাদের সামনে। প্রায় সব ধরণের কৃষি উৎপাদন এখন ঝুঁকির মুখোমুখি। মানুষ এখন জলবায়ু উদ্বাস্তু হচ্ছে। এমন একটা সময়ে এসে, এমনই চ্যালেঞ্জ-এর সামনে দাঁড়িয়ে আগামীর উন্নয়ন সাংবাদিক। নতুন নতুন তথ্য, জলবায়ু অভিযোজনশীল প্রযুক্তির কথা ছড়িয়ে দিতে হবে মানুষের কাছে। যাতে যেকোন বিপদ মোকাবিলা করা যায়। তাই এখনকার উন্নয়ন সাংবাদিক মানে ক্ষুরধার এবং তাকে অবশ্যই হতে হবে সুদূরপ্রসারী চিন্তার অধিকারী।

সবার শেষে বলতে হয়, এই অর্থবহ এবং ইতিবাচক সাংবাদিকতার ফলে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও পুষ্টির অভাব যেমন অনেকটাই পূরণ হয়েছে তেমনি নিশ্চিত হয়েছে খাদ্য নিরাপত্তা। এতে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ, বিজ্ঞানীদের নতুন আবিষ্কারের অবদান কম নয়। আর কৃষি উন্নয়নের বাইরে গিয়ে উন্নয়ন সাংবাদিকতার প্রভাবে অন্যদিকে নিশ্চিত হচ্ছে জনগণের অন্যান্য মৌলিক অধিকারের ইস্যুগুলো, যেমন শিক্ষা, খাদ্য, স্বাস্থ্য ইত্যাদি।

এই অর্জন একটি প্রজন্মের। তবে নতুন প্রজন্মকে ভাবতে হবে আগামীর কথা। ভাবতে হবে একধাপ এগিয়ে। ভাবতে হবে ‘গৎবাঁধা’ নিয়মের উর্ধ্বে উঠে। উন্নয়ন সাংবাদিক হিসেবে হতে হবে একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। হতে হবে নিজের কাজের প্রতি অপরিসীম আত্মবিশ্বাসী, সৎ, আত্মপ্রত্যয়ী ও সাহসী। মানুষের কল্যাণে, দেশের স্বার্থে সাংবাদিকতায় হতে হবে আরো মনোযোগী।

তবেই না অতি নিকটেই আমরা অর্জন করবো একটি উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: উন্নয়ন সাংবাদিকতাশাইখ সিরাজ
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

‘আর্জেন্টিনা এমন কৌশল ব্যবহার করে, যা ফুটবলে চলতে দেয়া উচিত নয়’

জুলাই ১৮, ২০২৬

২ বছরেও মেলেনি পরামর্শক, অনিশ্চয়তায় স্যুয়ারেজ প্রকল্প

জুলাই ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

একজন শিক্ষক আমাকে নাম দিয়েছেন ‘পরীক্ষা মিলন’: শিক্ষামন্ত্রী

জুলাই ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

চ্যানেল ওয়ানের ফেসবুক পেজে সাইবার হামলার অভিযোগ

জুলাই ১৮, ২০২৬

হাসপাতালে অবহেলায় বিপন্ন পাকিস্তানের শিশুদের জীবন

জুলাই ১৮, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT