প্রবল বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে উত্তরাঞ্চলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির আবারো অবনতি হয়েছে। নদ-নদীর পানি বাড়ায় প্লাবিত হয়ে পড়ছে নতুন নতুন এলাকা। ভোলায় শুরু হয়েছে মেঘনার ভয়াবহ ভাঙ্গন।
কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে না হতেই আবারো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবল বৃষ্টি ও উজানের ঢলে ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। জেলার নিম্নাঞ্চলের গ্রাম, চর ও দ্বীপচরগুলো প্লাবিত হয়েছে।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ১৭ সেন্টিমিটার এবং চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।
বন্যায় বাঁধে ও পাকা সড়কে আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলো খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভুগছে বলে জানান এলাকাবাসীরা।
সিরাজগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. ওমর আলী শেখ বলেন সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি এখনও বিপদ সীমার ২১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে। পানিতে আটকে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন কয়েক হাজার মানুষ। বন্যার পানিতে জেলার প্রায় ৮ হাজার ২’শ ৩৬ হেক্টর রোপা আমন, বোনা আমন, বীজতলা ও সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
ভোলার মেঘনার ভাঙন আরো তীব্র হয়ে উঠেছে। প্রবল স্রোতে ইলিশা চডার মাথা পয়েন্টে সড়ক ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে ইলিশা ও রাজাপুর ইউনিয়নের দুটি গ্রাম। লোকালয়ে পানি ঢুকে তলিয়ে গেছে বসতঘর, রাস্তাঘাট, মাছের ঘেরসহ বিভিন্ন স্থাপনা। পানিতে আটকা পড়েছেন অন্তত ১০ হাজার মানুষ। ভাঙ্গন রোধে জিও ব্যাগ টিউব ডাম্পিং করেও ভাঙ্গন ঠেকানো যাচ্ছে না।






