চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

উচ্চকিত, অসহিষ্ণু মানুষের সমাজ

তাপস বড়ুয়াতাপস বড়ুয়া
৭:১৪ অপরাহ্ণ ২১, এপ্রিল ২০২১
মতামত
A A

লকডাউন চলাকালে পরিচয়পত্র দেখানো নিয়ে সম্প্রতি রাজধানীতে একজন চিকিৎসকের সাথে একজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং একজন ম্যাজিস্ট্রেটের কথা কাটাকাটি ঝগড়া পর্যায়ে চলে যায়। সামাজিক মাধ্যমে সেই কথোপকথনের কিছু অংশের ভিডিও ভাইরাল হয়। মূলধারার সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।

চিকিৎসকদের সংগঠন বাড়াবাড়ির জন্য পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়ী করে বিবৃতি দেয়; পুলিশদের সংগঠন চিকিৎসককে দায়ী করে বিবৃতি দেয়। সুতরাং ব্যাপারটি আর দুই-তিনজন মানুষের মধ্যে সমস্যার স্তরে নেই। দুই পক্ষেই দুটি সংগঠন আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে সমর্থন জানিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার হাইকোর্ট এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। প্রথম আলোর প্রতিবেবদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ”এই বাগ্‌বিতণ্ডার সূত্র ধরে দেওয়া বিবৃতি, পাল্টা–বিবৃতি কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ওই ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিবৃতি, পাল্টা–বিবৃতি দেওয়া অনভিপ্রেত। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে সবাই দায়িত্বশীল আচরণ আশা করে। করোনার এই পরিস্থিতিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ প্রজাতন্ত্রের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পারস্পরিক সম্মানবোধ থাকতে হবে। ইগো বা ক্ষমতার দম্ভ থাকা উচিত নয়। সবাইকে দায়িত্বশীল হয়ে পেশাদারিত্ব দেখাতে হবে।”

ঘটনার যতটা বিবরণ সামাজিক মাধ্যম ও মূলধারার গণমাধ্যম মিলিয়ে জানা যাচ্ছে, তাতে মনে হয় সমস্যাটা এতোদূর না গড়ালেও পারতো। দুইপক্ষে যারা কথা কথা কাটাকাটি করছিলেন, তাদের মধ্যে নিজেকে অন্যের চেয়ে ক্ষমতাশালী বা বড় বলে প্রমাণ করার চেষ্টা ছিল। ফলে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধেরও অভাব ছিল।’ এ বলে আমায় দেখ; তো ও বলে আমায় দেখ– এই করতে গিয়ে করোনাকালে মাঠে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলা দুই দল মানুষের মধ্যে একটা অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে গেল।

এটা সাধারণ সময় নয়; মহামারির সময়, লকডাউনের সময়। একপ্রকার ’জরুরী অবস্থা’র মধ্যদিয়ে যাচ্ছে গোটা পৃথিবী। আলোচিত ঘটনাটিতে যারা জড়িত সবাই এই দুঃসময়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত। সবকিছু মিলে ঘটনাটি খুব বেশি প্রচার পেয়েছে। তাছাড়া সমাজের দুইজন প্রতিষ্ঠিত মানুষ একজন আরেকজনকে ছোট করার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, এবং তার মধ্য দিয়ে নিজেকেও ছোট করছেন, এটা দেখে অনেক মানুষ মজা পেয়েছেন। কারণ, অনেকের মধ্যে ‘ওরা যা হয়েছেন, নিজে তা না হতে পারার খেদ’ আছে। খেদ থেকে তৈরি হয় ঈর্ষা। ঈর্ষাতুর মানুষ ঈষিতের বিপদ দেখে, অপদস্ত হওয়া দেখে আনন্দ পান। এ আনন্দকে বিকৃত আনন্দ বলা যায়।

তাছাড়া অনেক সাধারণ মানুষেরই পুলিশের কাছ থেকে বা ডাক্তারের কাছ থেকে (এই বিতণ্ডায় জড়িত মানুষগুলোর কথা বলছি না) অনাকাঙ্খিত ব্যাবহার পাওয়ার খারাপ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তারাও নিজের অবস্থানের কারণে সমুচিত জবাব দিতে না পারার জন্য ভিতরে ভিতরে ক্ষোভ বয়ে নিয়ে বেড়ান। এই ঘটনায় উল্লাস প্রকাশ করে, এই ঘটনা প্রচার করে, এতে কমেন্ট করে (অনেক কমেন্টই রূচিশীল নয়) তারা এক ধরনের অক্ষমের আনন্দ পেয়েছেন।

Reneta

এই ঘটনাকে সামনে রেখে আমরা সমাজের দিকে তাকাই। এই যে হাইকোর্টের ভাষায় ইগো বা ক্ষমতার দম্ভ এটা কি আমরা প্রতিদিন দেখি না? যে যেখানে যতটুকু পারি আমরা নিজেরা কি এই দম্ভ দেখাই না?

এ্যালেন ডি বটন নামে একজন লেখকের একটা বই আছে ’স্ট্যাটাস এ্যংজাইটি’ নামে। এই নামে তিনি একটা ডকুমেন্টারী ফিল্মও করেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, এই যে নিজেকে বড় বলে জাহির করা এটা আসলে এক ধরনের উদ্বেগের বহিঃপ্রকাশ। আর সেই উদ্বেগ হচ্ছে, আমি ঠিক কত বড় এটা অন্যরা হয়তো বুঝতে পারছেন না। সুতরাং আমাকেই জোর করে সেটা বুঝিয়ে দিতে হবে। কখনো মুখে বলে নিজেকে জাহির করে, কখনো অপ্রয়োজনে অধিকতর দামী পণ্য ব্যবহার করে মানুষ এই দেখানেপনারই বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। এবং এর মধ্যদিয়ে নিজেকে উচ্চতর শ্রেণীর বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করে।

আলোচ্য বিতণ্ডার ঘটনাটি এতাদূর যেতো না, যদি দুই পক্ষই জোর করে নিজেকে অন্যের চেয়ে বড়, অন্যের চেয়ে শক্তিশালী বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করতেন। এ্যান ম্যান নামে একজন লেখিকার ’দি লাইফ অফ আই: দি নিউ কালচার অফ নার্সিসিজম’ নামে একটা বই আছে যেখানে তিনি দেখিয়েছেন অনেক মানুষ মনে করেন যে তারাই সেরা এবং পৃথিবীর সব ভালোকিছু পাওয়ার অধিকার একমাত্র তাদের।

এ প্রসঙ্গে তিনি অন্য অনেকের সাথে মার্কিন গায়ক কেনি ওয়েস্টের উদাহরণও দিয়েছেন। কেনি ওয়েস্ট বলেছিলেন, তিনি নিজেকে ’সিঙ্গার’ না বলে ‘ক্রিয়েটিভ জিনিয়াস’ বলতে চান। ২০১৯ সালে বিবিসির সাথে এক সাক্ষাৎকারে ওয়েস্ট দাবী করেছিলেন, তিনিই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ‘আর্টিস্ট’।

আমাদের মধ্যে আমি ব্যক্তি হিসেবে সেরা, আমার পেশা সেরা, আমি পারিবারিক পরিচয়ে সেরা, আমি শিক্ষায় সেরা ইত্যাদি ইত্যাদি বিভিন্ন ‘কমপ্লেক্স’ কাজ করে। এই রকম ধারণা যখন প্রচুর লোকের মধ্যে, তখন সংঘর্ষ তো অনিবার্য। সমাজে হচ্ছেও তাই।

পেশাগত পরিচয়ের বাইরে গিয়ে পারিবারিক পরিচয় দেয়ার প্রবণতাও আমরা আলোচ্য ঘটনায় লক্ষ্য করি। লকডাউনে চলাফেরার সাথে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হওয়া বা না হওয়ার কোন সম্পর্ক নেই; সম্পর্ক আছে তার পেশাগত দায়িত্বের। চিকিৎসকের ক্ষেত্রেও তাই; পুলিশের বা ম্যাজিস্ট্রেটেরও ক্ষেত্রেও তাই। তবু তারা সকলেই নিজেদেরকে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলে পরিচয় দেন। এখানেও কেউ হারতে চান না। কেউই বলেন না, আমি বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কিন্তু এখানে যে বিষয়ে কথাকাটাকটি হচ্ছে তার সাথে বিষযটির প্রাসঙ্গিকতা নেই।

আমরা যখন দেখি অন্যের চেয়ে নিজেকে বড় প্রমাণ করতে ঠিক পেরে উঠছি না, তখন তৃতীয় জনকে টানি। বলার চেষ্টা করি, আমি তোমার চেয়ে বড় না হলেও তুমি খুব বেশি বড় নও। তোমার চেয়ে বড় একজনকে আমি চিনি। কতকটা তরুণ মজুমদারের আলো সিনেমার (বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প অবলম্বনে) সেই ঈর্ষাতুরা নারীর মতো যিনি নববিবাহিতা আলোকে সুন্দর হিসেবে স্বীকার করতে চান না; আবার তার চেয়ে সুন্দর কাউকে কাছাকাছির মধ্যে পাচ্ছেনও না। শেষমেষ বলেন, তা বাপু সুন্দরের কথা যদি বলো, সেবার একজনকে দেখেছিলাম তারকেশ্বর যাওয়ার পথে।

আমরাও নিজে যার সাথে বড়ত্বের চ্যালেঞ্জে পেরে উঠি না, তার কাছে গিয়ে একই কাজ করি। কোন বড় কর্মকর্তা, কোন রাজনৈতিক নেতা, এমনকি কোন সন্ত্রাসীকে আমরা চিনি সেটা প্রচার করতে লেগে যাই। এর মধ্য দিয়ে নিজেকে তথাকথিত ক্ষমতা কাঠামোর সাথে বা ক্ষমতাধর ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত প্রমাণের একটি প্রচেষ্টা স্পষ্ট দেখা যায়। অতএব, আমার চেয়ে বড় কারো রেফারেন্স দিই বা, সম্ভব হলে, তাকে ফোনে ধরিয়ে দিই। যদিও অন্য জায়গায় গিয়ে আবার কর্মকর্তারা খারাপ, নেতারা জঘন্য, সন্ত্রাসীরা ঘৃণ্য বলে নিজেকে তাদের দল থেকে আলাদা প্রমাণের আপ্রাণ চেষ্টার কমতি নেই আমাদের।

আমাদের সমাজে বিনয় ব্যাপারটির একটা আলাদা সম্মানজনক জায়গা ছিলো। আমরা শুনে এসেছি, বিদ্যা বিনয় দান করে, ফলবান বৃক্ষ নত হয়, ইত্যাদি নীতিবাক্য। উচ্চকিত আচরণকে সেখানে অমার্জিতের, অসংস্কৃতের লক্ষণ বলে ধরে নেয়া হতো। সৈয়দ মুজতবা আলী একবার কাবুলে জুতা পালিশ করাতে গিয়ে দেখেন, জুতা পালিশ শেষ হওয়ার পরে কাপড় দিয়ে ঘঁষে জুতার চকচকে ভাবটা কমিয়ে দেয়া হচ্ছে। তখন তার অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটা কথা মনে পড়ে যায়। সেটি হচ্ছে, অত্যধিক চাকচিক্য গ্রামজনসুলভ বর্বরতা (দেশে বিদেশে/ সৈয়দ মুজতবা আলী)। গ্রামজন হলেই বর্বর একথা মানা যায় না। তবে অত্যধিক চাকচিক্য দেখানোর চেষ্টা বা উচ্চকিত আচরণ ভদ্রজনোচিত বিষয় নয় এটা ধরে নেয়া যায়।

এরকম একটা কথা প্রচলিত ছিলো যে, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধূরী বিলেত থেকে ফেরার পরে বৃত্তির টাকা থেকে বেঁচে যাওয়া টাকা দিয়ে গাড়ী কিনতে চেয়েছিলেন। তার স্ত্রী অধ্যাপিকা নাজমা জেসমিন চৌধূরী নাকি বলেছিলেন, গাড়ী কিনলে যেসব বন্ধুর এবং আত্মীয়ের গাড়ী নেই তাদের সাথে একটা পার্থক্য তৈরি হবে, দূরত্ব তৈরি হবে। সুতরাং গাড়ী কেনা ঠিক হবে না। বলাবাহুল্য, তখন ঢাকা শহরে এতো গাড়ী ছিল না। গাড়ীটা তখনও পর্যন্ত প্রচন্ডরকমভাবে ’স্ট্যাটাস সিম্বল’। এরকম চিন্তার মানুষেরাও এই সমাজেই আছেন, যারা নিজেকে বড় বলে জাহির করাকে সমীচীন কাজ বলে মনে করেন না। সেইসব মানুষের সংখ্যা কমছে প্রতিদিন।

এখন জোর দেখানোর সময়। আপনি যদি জোর না দেখান তাহলে ধরে নেয়া হচ্ছে আপনার জোর নেই। সুতরাং আজকের সমাজে চাকচিক্য দেখাবার প্রতিযোগিতা সবক্ষেত্রে। জামাকাপড়, কথাবার্তা, খাবারদাবার, চলাফেরা কিছুই এর থেকে বাদ নেই। এর ফলে সমাজে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতিটা হয়েছে তা হচ্ছে, কেউ কারো পতি সহনশীল থাকছেন না। সবাই সবাইকে ঘৃণা না করলেও অন্তত ঈর্ষা করছেন।

আমরা বাসায় কাজের লোকের উপরে, রিকশা ওয়ালার উপরে, রাস্তার সবজিওয়ালার উপরে মুখ খারাপ করছি। কখনো-সখনো গায়ে হাতও তুলছি। দিনের পর দিন এগুলো সহ্য করতে করতে এখন তারা শুধু সমানে নয়, বৈষম্য থেকে জমে থাকা ক্ষোভসহ সেগুলোর ন্যায্য পাওনা মিটিয়ে দিতে কসুর করেন না।

লেখাপড়া জানা, সমাজে অপেক্ষাকৃত প্রতিষ্ঠিত মানুষ আচার-ব্যবহারে লেখাপড়া না জানা, সমাজের শ্রেণীবিন্যাসে নিচের দিকে থাকা মানুষের চাইতে ভদ্র, মার্জিত, বিনয়ী হবেন এটি কাঙ্খিত ছিলো। তাদের কথাবার্তা, চালচলন অন্যের জন্যে অনুকরণীয় হবে, তেমন ধারণা সমাজে একসময় প্রচলিত ছিলো। ”তোমার কি ওর সাথে ঝগড়া করা সাজে” অথবা ”ছোটলোকের মত ঝগড়া তো আমি করতে পারি না” এধরনের একটা চিন্তা সমাজের লেখাপড়া জানা মানুষের মধ্যে ছিলো। অর্থাৎ লেখাপড়া জানার সাথে পরিশীলিত আচরণের একটা সম্পর্ককে যৌক্তিক বলে ধরে নেয়া হতো। আমরা দিন দিন সেটা হারাচ্ছি।

আচার-ব্যবহারে, কথা-বার্তায় (এমনকি শুধু কথার টোন নয়; শব্দ ব্যাবহারেও) এখন আর মানুষের শিক্ষার বা অবস্থানের কোন পার্থক্য বোঝা যায় না। কী পোশাক পরছেন, কোন যানবাহন ব্যবহার করছেন, কোন বাড়ী থেকে বেরোচ্ছেন ইত্যাদি বাহ্যিক বিষয়ে পার্থক্য না থাকলে দুই দলের দুইজন মানুষের রাস্তায় আচরণ, কথাবার্তা, ‘এগ্রেসিভনেস’, অন্যকে ঠকিয়ে নিজে জিতে যাওয়ার চেষ্টা এসবে কোন পার্থক্য করা কঠিন।

দশতলার এসি ফ্লাট থেকে নেমে যারা এসি গাড়ীতে গিয়ে বিশতলার এসি অফিসে বসছেন, তাদের সাথে বস্তির ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তার পাশে ঝুড়ি কোদাল নিয়ে বসে কায়িক শ্রম বিক্রি করা মানুষটির আচার আচরণের পার্থক্য কমছে।

শ্রেণীপরিচয়ে নিচের দিকে থাকা মানুষদের আচরণ খারাপ বা অমার্জিত এটা বলা এই তুলনা টানার উদ্দেশ্য নয়। বরং উদ্দেশ্য হচ্ছে, তথাকথিত শিক্ষিত, উঁচুশ্রেনীর মানুষদের আচরণে শিক্ষার ছাপ এবং তথাকথিত ভদ্রতার ছাপ ক্রমশ অস্পষ্ট হচ্ছে সেটা বলা।

আর দুজন সমান বা প্রায়-সমান মানুষের মধ্যে নিজেকে অন্যের চেয়ে বড় প্রমাণের যে প্রতিযোগিতা, সেটা তো একবারে নগ্ন পর্যায়ে চলে গেছে। ফলে সমাজে সহনশীলতা কমছে, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ কমছে, বেড়ে যাচ্ছে ঈর্ষা আর ঘৃণা।

এর থেকে বেরোনোর একটা পথ আমাদের খুঁজতে হবে।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

হান্টা ভাইরাসে প্রতি ১০ জনে প্রাণ হারাতে পারেন ৪ জন | Hantavirus

মে ১৫, ২০২৬

পদ্মা ব্যারাজ কী, কীভাবে কাজ করবে?

মে ১৫, ২০২৬

সিরাজগঞ্জে সাড়ে ৭ কি.মি ‘রান সিরাজগঞ্জ’ ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

মে ১৫, ২০২৬

অবসর ভেঙে বিশ্বকাপে ফিরছেন নয়্যার?

মে ১৫, ২০২৬
নিহত মাছ ব্যবসায়ী বাবু শিকদার

বরিশালে মাছ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ২

মে ১৫, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT