১৩৭ বড় কোনো লক্ষ্য নয়। ম্যাচ জিততে তাই বেশি সময় অপচয় করেনি নিউজিল্যান্ড। ৩৪ ওভার বাকি থাকতেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১০ উইকেটের বিশাল জয় দিয়ে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের মিশন শুরু করেছে গতবারের রানার্সআপরা।
কার্ডিফে শনিবার প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তানের দেখানো পথে হেঁটে ১৩৬ রানেই অলআউট হয়ে যায় ১৯৯৬ বিশ্বকাপ জয়ী শ্রীলঙ্কা। আগেরদিন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১০৫ রানে অলআউট হয়েছিল পাকিস্তান। এদিন ৩১ রানে এগিয়ে তাদের এশিয়ান প্রতিবেশীরা।
জবাব দিতে নেমে দুই ওপেনার মার্টিন গাপটিল ও কলিন মুনরোর ঝড়ো ফিফটিতে দ্রুতই ম্যাচ শেষ করে দেয় নিউজিল্যান্ড। ৫১ বলে ৮ চার ও ২ ছয়ে ৭৩ রান করেছেন গাপটিল। মুনরো খেলেছেন ৪৭ বল। ৬ চারের সঙ্গে এক ছয়ে করেছেন ৫৮ রান।
মূলত পেসারদের বানিয়ে দেয়া মঞ্চে দ্রুত কাজ সেরেছেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার। সবুজ উইকেটে লঙ্কান ব্যাটিং লাইনআপকে গুঁড়িয়ে দেন ম্যাট হেনরি ও লোকি ফার্গুসন। বোল্টকে নিয়েই বেশি চিন্তা থাকলেও শ্রীলঙ্কার জন্য গর্ত খুঁড়েছেন তার দুই সতীর্থ পেসার। দুজনের শিকার সমান তিনটি করে উইকেট। বাকি পেসাররা ভাগাভাগি করেছেন বাকি চার উইকেট।
ইনিংসের দ্বিতীয় বলে লাহিরু থিরিমান্নেকে হারিয়ে শুরু লঙ্কানদের ইনিংস। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৪৪ রান তুলে যা একটু প্রতিরোধ গড়েন অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নে ও কুশাল পেরেরা (২৯)।
দুজন ফিরতেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় শ্রীলঙ্কার লাইনআপ। ব্যর্থতার বৃত্তে একে একে পাঁচ ব্যাটসম্যান জায়গা করে নেন দুই অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই। থিসারা পেরেরাকে নিয়ে সম্মান রক্ষার লড়াই শুরু করেন অধিনায়ক। কিন্তু স্কোর তিন অঙ্ক ছাড়াতেই ফেরেন পেরেরা (২৭)।
অধিনায়ক হওয়ার পর যাকে নিয়ে এতো সমালোচনা, আলোক সামান্য পথ যেটুকু দলকে তার পুরোটাই একা দেখিয়েছেন করুনারত্নে। সঙ্গীর অভাবে ৮৪ বলে ৫২ রান করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন তিনি। ২৯.২ ওভার বাকি থাকতে ১৩৬ রানে থামে লঙ্কানদের ইনিংস।









