চট্টগ্রাম থেকে: টেস্ট ক্রিকেটের রূপ ক্ষণে ক্ষণে বদলায়, বদলায় উইকেটের আচরণও। এমন রীতিকে যেন বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে চট্টগ্রাম টেস্ট! জহুর আহমেদের উইকেটে তৃতীয় দিনের আচরণ শুরুর দিনের মতোই! যেখানে আছে শুধু রান আর রান। শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং প্রতিরোধে ব্যাকফুটে থাকা বাংলাদেশ ম্যাচ বাঁচাতে উইকেটের আচরণ পরের দুদিনও অপরিবর্তিতই চাইছে।
প্রথমদিন শেষেই যেখানে উইকেট থেকে ঘূর্ণি প্রত্যাশা করা হচ্ছিল, সেখানে তৃতীয় দিনে এসে পাল্টে গেছে দৃশ্যপট। উইকেটে বল ঘুরুক চায় না বাংলাদেশ। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন বলে গেলেন, ‘সত্যি কথা বলতে আমরা চাই না, বল ঘুরুক (হাসি)।’
ম্যাচের যে পরিস্থিতি তাতে উইকেটের চরিত্র বদলালে, ব্যাটিং কঠিন হয়ে উঠলে, দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা কঠিন হবে বাংলাদেশের জন্যই। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কার বড় রানের লিড নেয়ার জোড়াল সম্ভাবনা। চাপটা তাতে বাড়বেই। এজন্যই উইকেটের আচরণ একইরকম থাকার চাওয়া স্বাগতিকদের।
১৩৮ ওভার বল করে শ্রীলঙ্কার মাত্র তিনটি উইকেট ফেলতে পেরেছে বাংলাদেশ। দলীয় রান পাঁচশ ছাড়িয়েছে। ৭ উইকেট হাতে রেখ লঙ্কানরা পিছিয়ে মাত্র ৯ রানে। কুশল ১৯৬, ধনঞ্জয়া ১৭৩ করে ফিরে যাওয়ার পর হাল ধরেছেন রোশেন সিলভা ও অধিনায়ক চান্দিমাল। সিলভা সেঞ্চুরি (৮৭*) ও চান্দিমাল ফিফটির (৩৭*) আশা জিইয়ে রেখে দিন শেষ করেছেন।
শ্রীলঙ্কা কত রানের লিড পায় সেটির উপর নির্ভর করছে ম্যাচের ফলাফল। লিড বড় হয়ে গেলে ড্রয়ের চিন্তা নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামবে বাংলাদেশ। তেমন আভাস দিয়ে রাখলেন খালেদ মাহমুদ।
‘কালকের সকাল অনেককিছু বলে দেবে। ম্যাচটা উন্মুক্ত হবে। আমরা নিয়ন্ত্রণ নেব না ওরা নেবে। শ্রীলঙ্কা কত সময় ব্যাটিং করে সেটা বড় কথা। ফ্ল্যাট থাকবে চিন্তা করেই ব্যাটিং করতে হবে দারুণভাবে। সেটি না হলে জেতার চিন্তা থেকে ড্র’য়ের দিকেই যাবে হয়তবা।’








