টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন দিশেহারা মুশফিক! উইকেটে শুরুর আর্দ্রতা কাজে লাগানো যায়নি, কাজে লাগানো যায়নি কোন বোলিং-সূত্রই। অর্ধদিনের খেলা পেরিয়ে গেছে, আয়েশে খেলে যাচ্ছেন সাউথ আফ্রিকার দুই উদ্বোধনীই।
পচেফস্ট্রমে কোনও উইকেট না হারিয়েই দেড়শ পেরিয়ে গেছে স্বাগতিকদের ইনিংস। ডিন এলগার ও অভিষিক্ত এইডেন মার্করাম সাবধানী শুরুর পর খোলস পাল্টে ফেলেছেন। দুজনেই ছুঁটছেন সেঞ্চুরির ম্যাজিক ফিগারের দিকে।
নয় বছর পর সাউথ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমে শুরুটা তাই একেবারেই ভাল হল না বাংলাদেশের। প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার কোনও কৌশলই কাজে লাগেনি। মোস্তাফিজ-শফিউলরা নির্বিষ বোলিং করে গেলেন। মুশফিককে স্পিনারের দ্বারস্থ হতে হল ষষ্ঠ ওভারেই।
তাতে কিছুটা লড়াইয়ের আমেজ ফেরানো বোলিংয়ের দেখা মিলেছিল মিরাজের সৌজন্যে। ফ্লাইট, লেংথ বলের সঙ্গে বাড়তি বাউন্স আদায় করে নিচ্ছিলেন তরুণ অফস্পিনার। প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের যা একটু পরীক্ষা নেয়ার সুযোগ মিলেছে তার কল্যাণেই।
একটা উইকেট তোলার সুযোগ এসেছিল, সেটা কাজে লাগাতে পারেননি ফিল্ডার মোস্তাফিজ। তাসকিনের লেংথ বলে ড্রাইভ করে পয়েন্টে বল ভাসিয়েছিলেন মার্করাম। অপ্রস্তুত মোস্তাফিজ বলের নিচেই যেতে পারেননি সময়মত। ২৮ রানে প্রাণ ফিরে পাওয়া অভিষিক্ত এগোচ্ছেন অভিষেক শতকের মাইলফলকের দিকে। ৩৬ রানে তাকে রানআউটে ছেঁটে ফেলার সুযোগটাও নিতে পারেনি সফরকারীরা। তাতে নাম তুলেছেন অভিষেকে ফিফটি তোলা প্রোটিয়া তালিকায়, মার্করামকে নিয়ে সংখ্যাটা এখন নবম।
বাংলাদেশের একাদশে তিন পেসার- শফিউল, মোস্তাফিজ এবং তাসকিন। সাকিব না থাকায় দারুণ কিছুর জন্য তাদের দিকেই তাকাতে হবে অধিনায়ককে। কিন্তু উইকেটে বোলারদের জন্য তেমন কিছুই নেই। মুশফিকের টস সিদ্ধান্তও এখন প্রশ্নবিদ্ধ!










