১৯টি ছোটবড় ফেরি, ৩৭টি লঞ্চ এবং ৬শ’ পুলিশ সদস্য নিয়ে ঈদ সেবার প্রস্তুতি নিয়েছে দেশের সব চেয়ে বড় ফেরিঘাট, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট।
বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে সবাইকে দ্রুত নদী পার করে দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী বিআইডব্লিউটিসি এবং স্থানীয় প্রশাসন।
নৌ পথে যানবাহন এবং যাত্রী পারাপারে দেশের সব চেয়ে বড় রুট পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া। ঈদ আসলেই দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল এবং উত্তরাঞ্চলের দুয়েকটি জেলার মানুষের উদ্বেগ থাকে এ ফেরিঘাটের যানজট নিয়ে।
ফেরিঘাটে এসে যাত্রীদের যাতে খুব বেশি যানজটে পড়তে না হয় সে জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিআইডব্লিউটিসি।
আনুমানিক সাড়ে ছয় হাজার গাড়ি পারাপারে ফেরি সংখ্যা বাড়ানো এবং যান্ত্রিক ত্রুটি দ্রুত মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির কথা বলেছেন বিআইডব্লিউটিসি।
পাটুরিয়ার বিআইডব্লিউটিসি’র এজিএম মো: জিল্লুর রহমান বলেন, দক্ষিণ বঙ্গের ঈদে ঘরমুখো মানুষগুলো স্বাচ্ছন্দ্যে নিরাপদে এবং দ্রুত পার হতে পারে সে জন্য বিআইডব্লিউটিসি খুব তৎপর এবং পযাপ্ত ফেরি নিয়োজিত করছে।
তবে মানিকগঞ্জের উথুলি থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত যেতেই যত বিপত্তি যাত্রী এবং দূরপাল্লার পরিবহনের। সেখানে আগে থেকেই নির্দেশিকার ব্যবস্থা করেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।
মানিকগঞ্জের শিবালয় সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বলেন, মানুষ যাতে সুষ্ঠুভাবে বাড়ি পৌঁছে ঈদ উদযাপন করতে পারে এরজন্য প্রায় সাড়ে ছয়’শ পুলিশ সদস্য এখানে মোতায়েন করা হবে। পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিবিঘ্নে করতে সাহায্য করবে।
রাতের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা এবং পুরো পাটুরিয়া ঘাট এলাকাকে আলোকিত করার কথা বলেছে পুলিশ প্রশাসন। লঞ্চ পারাপার যাত্রীদের অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে লঞ্চে না ওঠার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।






