মৌলবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় ইরান। দুই দিনের ঢাকা সফর শেষে ফিরে যাওয়ার আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ সন্ত্রাসবাদ দমনে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বৈত-চরিত্রের সমালোচনা করেন।
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে বাংলাদেশে তেল রপ্তানি করতে সমস্যা নেই তাদের।
সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী দু’দেশের বাণিজ্য বাড়ানোর উদ্যোগের কথা বলেন। এরপর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সে সময় দুটি দেশের রাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সফর শেষে করে ফিরে যাওয়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশকে বন্ধুরাষ্ট্র বলে উল্লেখ করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইসলামের নামে রাজনীতি করছে একটি গোষ্ঠি। সেই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার কথাও জানান তিনি।
তাদের বিরুদ্ধে থাকা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে বাংলাদেশে তেল রপ্তানিসহ বাণিজ্য বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান ইরানের মন্ত্রী।
প্রশ্নোত্তরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের দেশে বেকারত্ব থাকায় বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি আমদানি সম্ভব নয়। তবে বিশেষ প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ নেওয়ার সুযোগ আছে।






