প্রথম ডে-নাইট টেস্টের শেষ দুই সেশনে নেইল ওয়াগনার এবং টোড অ্যাস্টলের দাপুটে বোলিংয়ে ইংল্যান্ডকে ইনিংস আর ৪৯ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। দুজনই তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন। দুই টেস্ট সিরিজের শেষ ম্যাচ শুরু হবে ৩০ মার্চ।
বিদেশের মাটিতে শেষ ১২ টেস্টের ১০টিতেই হারল ইংল্যান্ড, বাকি দুটি ড্র!
অকল্যান্ডে ইংলিশরা আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ৫৮ রানে অলআউট হয়েছিল। জবাবে নিউজিল্যান্ড ৪২৭ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে। দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড করতে পারে ৩২০।
দ্বিতীয় ইনিংসে শেষদিন ২৩৭ রানে পিছিয়ে থেকে এবং সাত উইকেট হাতে রেখে ব্যাট করতে নামে ইংল্যান্ড। মালানের সঙ্গে দিন শুরু করেন স্টোকস। মালান ২৩ রানের মাথায় ফিরে গেলেও স্টোকস ঠাণ্ডা মাথায় উইকেটে থাকতে চেষ্টা করেন। ব্যারিস্টো, মঈন আলীর সঙ্গে যথাক্রমে ৩৯ এবং ৩৬ রানের দুটি জুটি গড়েন। এরপর ওকসকে নিয়ে আরো বড় প্রতিরোধ গড়েন। দুজনে ৮৩ রান পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন থাকেন।
স্টোকসকে বিদায় করেন ওয়াগনার। ১৮৮ বল খেলে ছয়টি চারে ৬৬ রান করে সাউদির হাতে ধরা পড়েন। এরপর এসেই দ্রুত বিদায় নেন ওভারটন। ১৮টি বল খেলেন তিনি। করতে পারেন ৩ রান। অর্ধশতক তুলে নেয়া ওকসও (৫২) শেষদিকে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। ব্রডের সঙ্গে ১৫ রানে তার জুটি শেষ হয়।
শেষ জুটিতে অ্যান্ডারসন এবং ব্রড মাত্র এক রান যোগ করতে পারেন। অ্যান্ডারসন অ্যাস্টলের বলে বোল্টের হাতে ক্যাচ দিলে ইনিংস আর ৪৯ রানের হার দেখতে হয় ইংলিশদের।
শেষ ইনিংসে বোল্টও নিয়েছেন তিন উইকেট। প্রথম ইনিংসে পেয়েছিলেন ছয়টি। দুই ইনিংসে ৯ উইকেট নিয়ে তিনি ম্যাচসেরা। একটি উইকেট সাউদির।
এই টেস্টের প্রায় দুইদিনই বৃষ্টিতে ভেসে যায়। দ্বিতীয়দিন ২৬ ওভার খেলা হওয়ার পর তৃতীয়দিনে খেলা হয় মাত্র ১৭ বল। তিনদিনে মোট ১১৫.৪ ওভার। তবু ম্যাচ বাঁচাতে পারল না ইংলিশরা।








