ইকুয়েডরে শক্তিশালী ভূমিকম্পে দুই শতাধিক জনমানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে
জানিয়েছে বিবিসি। সর্বশেষ খবরে নিহতের সংখ্যা ২৩৩ বলে জানানো হয়েছে। ভূমিকম্পের ঘটনায় আহত হয়েছে প্রায় হাজার খানেক মানুষ।
রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ
সংস্থা ইউএসজিএস।
ইউএসজিএস জানায়, প্রথম দফায় মাত্রা ছিলো ৪ দশমিক ৮। আর দ্বিতীয় দফায় ৭ দশমিক ৮। এসময় ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে ইকুয়েডরের প্রতিবেশি পেরু ও কলম্বিয়ায়তেও। তবে পেরুতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও সেখানেও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।
রাজধানী কিয়েটো থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে উপকূলীয় অঞ্চলে ভূমিকম্প আঘাত হানার পর ইকুয়েডরের ছয়টি রাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।
ভূমিকম্পের পর সমস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ধ্বংস হয়েছে স্থানীয় বিমানবন্দরের টাওয়ার। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেশের একটি বড় তেল শোধনাগার অস্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের খবরে বলা হচ্ছে, ভূমিকম্পে উপকূলীয় শহর গুইয়াকুইলের অনেক ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্কতা সেন্টার বলছে, উপকূলে বিপজ্জনক ঢেউ ও বাতাস ৩০০ কিলোমিটারের বেশি বেগে আঘাত হানতে পারে।
ইকুয়েডর প্রশান্ত মহাসাগরীয় ভূমিকম্পপ্রবন বিং অফ ফায়ারের কাছে অবস্থিত।







