ফিলিপ কস্টিকের জোড়া গোলে ভর করে বার্সেলোনার বিদায় ঘণ্টা বাজিয়ে ইউরোপা লিগের সেমিফাইনালে উঠেছে ফ্রাঙ্কফুর্ট।
বৃহস্পতিবার ন্যু ক্যাম্পে হওয়া কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে বার্সার বিপক্ষে ৩-২ গোলে ফ্রাঙ্কফুর্ট জিতেছে।
প্রথম লেগের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ গোলে এগিয়ে থাকায় সেমির টিকেট কাটল বুন্দেসলিগার ক্লাবটি।
খেলার শুরুতেই অকাজ করে বসেন এরিক গার্সিয়া। ডি বক্সের ভেতরে জেসপার লিন্ডস্ট্রোমকে ফাউল করে বসলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ৪ মিনিটের মাথায় স্পট কিক থেকে লক্ষ্যভেদ করে অতিথি দলকে এগিয়ে দেন সার্বিয়ান মিডফিল্ডার কস্টিক।
৩৫ মিনিটে আনসগার নাফের বাম পায়ের শট প্রতিহত করেছিলেন টের স্টেগান। পরের মিনিটেই অবশ্য বার্সা গোলরক্ষক আবারো পরাস্ত হন। দ্বিতীয় গোল হজম করে হতচকিত জয়ে পড়ে জাভি হার্নান্দেজের দল।
ফ্রাঙ্কফুর্টের দ্বিতীয় গোলেও রয়েছে কস্টিকের ভূমিকা। তার পাসে বল নিয়ে ডান পায়ের দূরপাল্লার শটে নিশানাভেদ করেন কলম্বিয়ার ফরোয়ার্ড রাফায়েল সান্তোস বোরে।
বিরতির পর ৪৮ মিনিটে উসমানে ডেম্বেলের বাড়িয়ে দেয়া বল ফাঁকা পোস্টে পেয়েও তা জালে পাঠাতে পারেননি পিয়েরে-এমরিক অবামেয়াং।
আট মিনিট পর অবামেয়াং আবারো সুযোগ পেয়েছিলেন। তার ডান পায়ের শট ঠেকান ফ্রাঙ্কফুর্ট গোলরক্ষক কেভিন ট্র্যাপ।
৬৭ মিনিটে আবারো ফ্রাঙ্কফুর্ট ঝলক। জাপানি মিডফিল্ডার দাইচি কামাদার অ্যাসিস্টে বল নিয়ে ডি বক্সের বাম প্রান্ত থেকে নেয়া শটে জাল খুঁজে নিয়ে নিজের জোড়া গোল পূরণ করেন কস্টিক।
৮৪ মিনিটে সার্জিও বুসকেটস গোল করলেও ভিএআরের শরণাপন্ন হয়ে রেফারি অফসাইডের সংকেত দিয়ে তা বাতিল করেন। বার্সেলোনার তাতে কপাল পোড়ে।
দ্বিতীয়ার্ধে রেফারির ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সমস্যা হওয়ায় বেশ খানিকক্ষণ খেলা বন্ধ থাকায় যোগ করা সময় দেয়া হয় ৯ মিনিট। সেই যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে বুসকেটস গোল করেন।
খেলার অন্তিম মুহূর্তে লুক ডি জংকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ইভান এনডিকা। পেনাল্টি পায় বার্সা। যোগ করা সময়ের ১১ মিনিটে স্পটকিক থেকে গোল করে মেমফিস ডিপাই পরাজয়ের ব্যবধানই কেবল কমিয়েছেন।
সেমিফাইনালে ফ্রাঙ্কফুর্টের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড। ২৮ এপ্রিল হবে প্রথম লেগের খেলা। দ্বিতীয় লেগ ৫ মে মাঠে গড়াবে।






