চলতি বছরের এ পর্যন্ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ পৌঁছানো শরণার্থী ও অভিবাসীর সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়েছে। এই বিপদসংকুল সমুদ্রযাত্রায় এ পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার লোকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএসডিআর)।
সংস্থার মুখপাত্র মেলিসা ফ্লেমিং বলেন, জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ লোক গ্রিসে এসে উঠেছে এবং আরো এক লাখ ১০ হাজার লোক ইতালি ভিড়েছে। আগের বছরের চেয়ে ঝুঁকি নিয়ে সাগর পাড়িয়ে দেয়ার সংখ্যা অনেক বেড়েছে। গত বছর মোট অভিবাসীর সংখ্যা ছিলো ২ লাখ ১৯ হাজার।
মেলিসা যে প্রায় আড়াই হাজার লোকের মৃত্যু করা বলেছেন তার মধ্যে গত বৃহস্পতিবারের শতাধিক লোকের মৃতের সংখ্যা ধরা হয়নি। গত বছর মৃত বা নিখোঁজ হওয়া মানুষের সংখ্যা ছিলো সাড়ে তিন হাজার।
ফ্লেমিং বলেন, ইউরোপীয় সীমনান্তরক্ষী বাহিনী ফন্টেক্সের অনুসন্ধান এবং উদ্ধার অভিযান বাহিনীর যৌথ চেষ্টা সত্ত্বেও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। আর ভুমধ্যসাগর ‘উদ্বাস্তু ও অভিবাসী জন্য প্রানঘাতী রুট’ হিসেবেই রয়ে গেছে।
গত বুধবার লিবিয়া উপকূলে দুটি নৌযানডুবির ঘটনায় ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব অভিবাসী লিবিয়ার ত্রিপলির পশ্চিমে জুয়ারা থেকে ইতালির দিকে যাচ্ছিল। অভিবাসীদের বেশির ভাগই সিরিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের। এদের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছে।






