পৌরসভা নির্বাচনের মতো ইউপি নির্বাচনেও তৃণমূলে কারচুপি আর সহিংস ঘটনা ঘটছে বলে দাবি করেছে বিএনপি। দলটির নেতারা বলছেন, তৃতীয় ধাপ নির্বাচনের পর ইউপি নির্বাচনে থাকা না থাকা নিয়ে সিদ্ধান্তে নেবে বিএনপি।
বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচনের কারণেই এতে সহিংসতা ঘটছে। প্রথম দু’ দফায় নির্বাচন হওয়া এক হাজার ৩৫৬টি ইউনিয়নের মধ্যে বিএনপি জিতেছে ৯৮টিতে। ২শ ইউপিতে প্রার্থীই দিতে পারেনি তারা।
দু ধাপের নির্বাচনেই ঘটেছে সহিংস ঘটনা আর কারচুপি হয়েছে বলেও অভিযোগ করে ইউপি নির্বাচন নিয়ে নতুন করে ভাবছে বিএনপি।
বিএনপি নেতা স্থায়ী কমিটির সদস্য ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, গণতন্ত্র রক্ষার জন্য তারা নির্বাচনে গেছে, তবে সহিংস ঘটনার জন্য নির্বাচনী ব্যবস্থাকেই দোষ দিচ্ছেন তিনি।
মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘সংঘর্ষে যে পরিমাণ সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে তাতে আমরা চিন্তা ভাবনা করছি। এখনই বলবো না বর্জন করবো কিনা, নির্বাচন নিয়ে আমরা অবশ্যই আলোচনা করবো। যেহেতু তৃতীয় ধাপ শেষ তাই আগামী ধাপের আগেই আলোচনা করে জানানো হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘দলীয় প্রতীক নিয়ে বিশেষ করে সরকার দলীয় প্রতীক নিয়ে তারা গায়ের জোর খাটানোর সহযোগিতা পাচ্ছে। সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে। গায়ের জোর যেখান থেকে শুরু হয়; সেখান থেকেই সহিংসতা শুরু হয়। সহিংসতা অবশ্যই দলীয় প্রতীকের কারণেই বেড়েছে।’
ছয় দফায় নির্বাচন হবে মোট চার হাজার ২৭৫ টি ইউনিয়নে। তৃতীয় দফায় ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। ৬ষ্ঠ এবং শেষ দফায় ভোট নেয়া হবে ৪ জুন।










