ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরই মধ্যে ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে ইউক্রেন অভিযানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, রাশিয়া এবং ইউক্রেন সৈন্যদের মধ্যে যুদ্ধ অনিবার্য ছিল।
তিনি পূর্ব ইউক্রেনে থাকা ইউক্রেনের সব সেনাদের আত্মসমর্পণেরও আহ্বান জানান। যে কোনো রক্তপাতের জন্য কিয়েভকে দায়ী করা হবে বলে ইউক্রেইনকে সতর্ক করেছেন তিনি।
বিসিসি অসমর্থিত সূত্রের উল্লেখ করে জানিয়েছে, ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ৫ থেকে ৬টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি’র প্রতিবেদক পল এডামস।
তিনি আরও জানান, দেশের অন্যান্য জায়গা থেকেও আকস্মিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এছাড়াও ক্র্যামাতোরস্ক ও দোনেৎস্ক অঞ্চলে শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর জানিয়েছে বিবিসি’র প্রতিনিধিরা।
সিএনএন’র একটি লাইভে কিয়েভে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
Live on @CNN air- Matthew Chance hears loud explosions in the Capital City of Kyiv. Unclear where they came from- but they happened just minutes after Putin effectively declared war on Ukraine. Moments later Chance put a flack jacket on live on the air. pic.twitter.com/EQgsKPzlJQ
— Ryan Nobles (@ryanobles) February 24, 2022
বিস্ফোরণের খবর এসেছে রাশিয়ার বেলগরদ প্রদেশ থেকেও সেখানে বড় বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
রাশিয়ার ইউক্রেন অভিযানের প্রতিক্রিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, এই অযাচিত ও অন্যায় হামলার জন্য বিশ্ব রাশিয়াকে ক্ষমা করবে না।
এদিকে, ইউক্রেনের শহরগুলোতে হামলার দাবি অস্বীকার করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সামরিক অবকাঠামো, বিমান প্রতিরক্ষা ও বিমান বাহিনীর উন্নত অস্ত্রকে টার্গেট করা হচ্ছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাকে আরআইএকে জানানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তারপর থেকে দেশটির ওপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা জারি করছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার ইউরোপীয় মিত্ররা।
তার মধ্যেই ইউক্রেন অভিযানের সিদ্ধান্ত নিল রাশিয়া।
ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।








