ইউক্রেনের চেরনিহিভ শহরের একটি আবাসিক এলাকায় রাশিয়ার বিমান হামলায় বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন।
ইউক্রেন বলছে, এই এলাকার আশপাশে কোথাও কোনো কোনো সামরিক স্থাপনা নেই, তবুও চালানো হয়েছে হামলা। ভারী গোলাবর্ষণের কারণে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষকে উদ্ধারকাজ বন্ধ করে দিতে হয়। শুধুমাত্র ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চল বাদে বাকি সব স্থানেই গোলাগুলি ও বোমাবর্ষণ চলছে।
ইউক্রেনে এখন আর কেউই নিরাপদ নন। রাজধানী কিয়েভের কাছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম স্কাই নিউজের একটি দল হামলার শিকার হয়। গুলিবিদ্ধ হন প্রতিবেদক স্টুয়ার্ট রামসে, ক্যামেরাপার্সনের বুলেটনিরোধী জ্যাকেটে দু’টি গুলি এসে লাগে।
তবে ইউক্রেনের আকাশে ‘নো ফ্লাই জোন’ ঘোষণায় আবারও অস্বীকৃতি জানিয়েছে ন্যাটো। সামরিক জোটটির মহাসচিব জেন্স স্টোলটেনবার্গ বলেছেন, এটি করলে ইউরোপজুড়ে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হতে পারে।
সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমিরি জেলেন্স্কি বলেছেন, ন্যাটো কার্যত ইউক্রেনের আরও হামলা চালানোর সুযোগ করে দিয়েছে।
রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে দখলের পর ইউক্রেনের জোপোরোজিয়া পারমাণবিক কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। জাতিসংঘে মার্কিন দূত বলেছেন, পারমাণবিক কেন্দ্রে রাশিয়ার অতর্কিত হামলায় লাখো মানুষের জীবন হুমকিতে পড়তে পারতো।







