ইংল্যান্ডের একটি কমিউনিটি সেন্টারে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’দল প্রবাসী বাংলাদেশীর মধ্যে সংঘর্ষে ছয়জন আহত হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ইংল্যান্ডের লিডস শহরের ‘বাংলাদেশী কমিউনিটি সেন্টারে’ ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে মিরর অনলাইন।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন কমিউনিটি সেন্টারটির ভেতরে মারামারি করছে। কিল-ঘুষি ছাড়াও প্রতিপক্ষকে চেয়ার ছুঁড়ে মারতে দেখা যায়।
পুলিশের উপস্থিতি, ফায়ার অ্যালার্ম বাজলেও কোনো রকম ভ্রুক্ষেপ না করে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা অব্যাহত রাখে প্রবাসী বাংলাদেশীরা।
এদের মধ্যে কয়েকজন ‘ট্র্যাডিশনাল মুসলিম ড্রেস’ বা পাঞ্জাবি-টুপি পরা ছিলো বলেও মিররের খবরে উল্লেখ করা হয়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন লিডস সিটি কাউন্সিলের হেয়ার হিলসের প্রতিনিধি আরিফ হুসাইন। তিনি জানান, সংঘর্ষের আগে কমিউনিটি সেন্টারটিতে বার্ষিক সাধারণ সভা চলছিলো।
বেশ কয়েকদিন ধরে সেন্টারটির দায়িত্ব নিতে তৎপর ছিলো দু’টি পক্ষ। এক পক্ষের দাবি তারা প্রবাসী বাংলাদেশীদের আস্থাভাজন তাই সেন্টারটি তাদেরই চালানো উচিৎ। আর অন্যপক্ষের দাবি, কমিউনিটি সেন্টারটি তাদের হাতেই থাকা উচিৎ।
এরকম পরিস্থিতিতে রোববার বার্ষিক সাধারণ সভা চলাকালে দু’পক্ষের বাক-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় কিল-ঘুষি, চেয়ার ছোঁড়াছুড়ি ছাড়াও কমিউনিটি সেন্টারটির ভেতরে ভাঙচুর চালানো হয়।
লিডস পুলিশের চিফ ইন্সপেক্টর নিক অ্যাডামস জানিয়েছেন, স্থানীয় প্রবাসীদের একটি আয়োজনে দায়িত্ব পালনের সময় তাদের নিজেদের মধ্যেই সংঘর্ষে জড়ানোর ঘটনা দেখেছে পুলিশ। সংঘর্ষের পর ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এই ঘটনার তদন্ত চলছে।






