ইউরোর শেষ ষোলো থেকেই ইংল্যান্ডকে বিদায় করে দিয়েছে আইসল্যান্ড। পচে যাওয়া হাঙর এবং তিমির মাংস খাওয়া বরফ দৈত্যরা ইংলিশদের হারিয়েছে ২-১ গোলে। কোয়ার্টার ফাইনালে আগুনের দ্বীপের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ফ্রান্স।
খেলার আগের দিন আইসল্যান্ড কোচ লার্স ল্যাজারবার্গ দাবি করেছিলেন, পচে যাওয়া হাঙর এবং তিমির মাংসের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারই তার দলের ফুটবলারদের লড়াই করার শক্তির সেরা উৎস। নিস-এর আঁলিয়াজ রিভিয়েরা স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেই হাঙরের হিংস্রতাই দেখালো আইসল্যান্ড।
খেলার ৪ মিনিটেই লিড নেয় ইংল্যান্ড। দলকে স্বপ্নের শুরু এনে দেন অধিনায়ক ওয়েন রুনি। পেনাল্টি থেকে গোল করেন ম্যানচেস্টার তারকা। পেনাল্টি থেকে গোল করেন রুনি।
তবে লিড ৯০ সেকেন্ডেরও কম সময় ধরে রাখতে সক্ষম হয় ইংল্যান্ড। এর পর ১২ মিনিটের ভেলকিতেই খেল খতম ইংলিশদের। ৬ মিনিটের সময় আইসল্যান্ডকে সমতায় ফেরান রাগনার সিংগুডসন। আর ১৮ মিনিটের আইসল্যান্ডকে লিড এনে দেন কোলব্রেন সিগদোরসন।
প্রথমার্ধে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইংল্যান্ড। ফিরে এসে সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তারা। কেন-উইলশেয়ারদের ঘণ ঘণ আক্রমণে মধ্যে পাল্টা আক্রমণে বেশ কয়েকবার ইংলিশ রক্ষণ কাঁপিয়েছে আইসল্যান্ডের ফরোয়ার্ডরা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনো দল গোলের দেখা না পেলে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের সেরা জয় পায় আইসল্যান্ড। আর তাতেই কপাল পোড়ে ‘থ্রি লায়ন্স’ খ্যাত ইংল্যান্ডের।
হারের পর ডেইলি মেইল পত্রিকা লিখেছে, আবারও ইউরোপ থেকে আউট হয়ে গেল ব্রিটেন। আর কোচ রয় হজসনকে নিয়ে পত্রিকাটি বলেছে, ক্যামরনের কাতারে হজসন। হারের পরই নিজ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ইংলিশ কোচ।








