না হয় শিরোপাটা জিততে পারেনি কখনো, তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আর্সেনালের অংশগ্রহণ নিয়মিত। ২০০৩-০৪ মৌসুমের পর আর লিগ চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও ইউরোপ সেরা টুর্নামেন্ট মিস হয়নি কখনো। আর্সেন ওয়েঙ্গারের দলের ওই রেকর্ড নেই ইংল্যান্ডের আর কোন ক্লাবের। না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-ম্যানচেস্টার সিটির, না লিভারপুল-চেলসির।
শিরোপা খরার দিনে ‘সান্ত্বনা’ হয়ে থাকা আর্সেনালের ওই রেকর্ডেও আঁচড় পড়ল রোববার। প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে গানারদের দুঃখে ভাসিয়ে ইউরোপ সেরার আসরে জায়গা করে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি ও লিভারপুল। ২১ বছরের মধ্যে এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ ওয়েঙ্গারের দল।
ম্যানসিটি ও লিভারপুল নিজ নিজ খেলাতে জেতাতেই আগামী মৌসুমে আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলা হল না ওয়েঙ্গারের দলের। কোচের ওপর চাপটা তাতে আরো বাড়বে নিঃসন্দেহে।

এবার শিরোপার নিষ্পত্তি হয়ে গেছে আগেই। উড়েছে অ্যান্তোনিও কন্তের চেলসির সাফল্যঘুড়ি। নিয়মরক্ষার শেষ ম্যাচে সান্ডারল্যান্ডের মুখোমুখি হয়ে ৫-১ গোলে জিতেছে চ্যাম্পিয়নরা। দলের হয়ে ৮ মিনিটে প্রথম গোল করেন উইলিয়ান। ৬১ মিনিটে এডেন হ্যাজার্ড, ৭৭ মিনিটে পেদ্রো ও অতিরিক্ত সময়ে জোড়া গোল করেন এম বাটসুয়াই। ৩৮ ম্যাচে ৯৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগ শেষ করল ব্লুজরা।
ওয়াটফোর্ডের মাঠে ম্যানসিটি জিতেছে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে। দলে হয়ে জোড়া গোল করেছেন সার্জিও আগুয়েরো। এছাড়া ভিনসেন্ট কোম্পানি, ফার্নানদিনহো, গ্যাব্রিয়েল জেসাস একটি করে গোল করেন।
আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নশিপে অবনমিত হয়ে গেছে মিডলসবরোও। ঘরের মাঠে অ্যানফিল্ডে তাদের হারাতে লিভারপুলের খুব বেগ পেতে হয়নি। অলরেডসরা জিতেছে ৩-০ গোলে। গোল করেছেন ফিলিপে কৌতিনহো, এরিক লালানা ও জি উইজলালডুম।
লিভারপুল-ম্যানসিটির জয়ের কারণে এভারটনের বিপক্ষে জিতেও এখন হাপিত্যেশ করা ছাড়া উপায় নেই আর্সেনালের। বেলারিন, সানচেজ ও রামসির গোলে গানাররা জিতেছে ৩-১ গোলে।
তিনটি বড় দলের কড়া হিসেবের রাতে জয় পেয়েছে আরেক বড় দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও। ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে রেড ডেভিলদের জয়টা ২-১ গোলেন। দলের হয়ে লক্ষ্যভেদ করেন জে হারোপ ও পল পগবা। অন্য ম্যাচে টটেনহ্যাম ৭-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে হালসিটিকে।









