পথশিশুদের নিয়ে কাজ করা `মজার স্কুল’-এর চার স্বেচ্ছাসেবকের মুক্তি মিলেছে। সোমবার দুপুরে নিম্ন আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করার পর সন্ধ্যার দিকে তারা মুক্তি পান। সেসময় তাদেরকে নিয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন তাদের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপ।
গত এক মাস ধরেই তারা বলে আসছিলেন, ওই চারজনকে ভুল কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারের উচ্চ পর্যায়েও তারা বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন।
সকালে আরিফ-জাকিয়াদের জামিনের জন্য আদালতে আবেদন করেন তাদের মুক্তিকামী সাধারণ মানুষের একটি দল। আইনজীবী জোতির্ময় বড়ুয়া আদালতে আবেদনটি উত্থাপন করেন।
বিকেল তিনটা নাগাদ কাগজপত্র আদালতে পৌঁছায়। এরপরই কারাগার থেকে মুক্তি পান আরিয়ান আরিফ, জাকিয়া সুলতানা, ফিরোজ আলম খান ও হাসিবুল হাসান।
গত ১২ সেপ্টেম্বর রামপুরার বনশ্রীতে অদম্য বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ১০ শিশুকে ‘উদ্ধার’ করে পুলিশ। সেসময় আশ্রয়কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা চার তরুণ-তরুণীকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ বলছে, সেখানে থাকা মোবারক নামে এক শিশুর চাচা অভিযোগ করেন, তার ভাতিজাকে জোর করে আশ্রয়কেন্দ্রে আটকে রাখা হয়েছে। এই অভিযোগে তিনি মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে একটি মামলা করেন।
এরই ভিত্তিতে চারজনকে গ্রেফতারের পর দু’দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
মোবারককে তার চাচার কাছে এবং অন্য ৯ শিশুকে পাঠানো হয় টঙ্গীর শিশু-কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে। এরপর থেকেই সেই চার স্বেচ্ছাসেবকের মুক্তির দাবীতে সোচ্চার হয়ে উঠে পুরো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম।






