বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএলের সীজন থ্রী তে দাপুটে পারফরমেন্সের পর পাকিস্তান জাতীয় দলের দুয়ার খুলছে পেসার মোহাম্মদ আমিরের। পিসিবি সূত্র জানিয়েছে, ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার অনুমতি পেয়েছেন সালমান বাট ও মোহাম্মদ আসিফ।
স্পট ফিক্সিং এর শাস্তি হিসেবে পাঁচ বছরের নির্বাসন জীবন কাটিয়ে আবারও ক্রিকেটে ফিরেছেন পাকিস্তানী ফাস্ট বোলার মোহাম্মদ আমির। চিটাগং ভাইকিংসের পক্ষে খেলে এই বাঁহাতি পেসারের উইকেট সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১১টি।
গতকাল বৃহস্পতিবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের এক মিটিংয়ে আমিরকে জাতীয় দলে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেয় চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান, হেড কোচ ওয়াকার ইউনুস ও প্রধান নির্বাচক হারুন রশীদ।
পিসিবির চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান বলেন, ‘আমির গত পাঁচ ছয় মাস ধরে যে পারফরম্যান্স দেখাচ্ছে, তাতে পাকিস্তান দলে সুযোগ পেতেই পারে। তবে আগে ওর সঙ্গে আমাদের কথা বলতে হবে, দলে ফিরতে চাইলে কী ধরনের আচরণ করা উচিত তা ওকে বোঝাতে হবে।’
সমস্যাটা হচ্ছে, পিসিবি আমিরের ফেরা দেখতে চাইলেও দলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ই আমিরকে সতীর্থ হিসেবে মেনে নিতে রাজি নন। এ ব্যাপারে পিসিবি প্রধান বলেন, ‘সকলে বসে আলোচনা করেই এ সমস্যার সমাধান করতে হবে।’ আমির নিজেও মুখিয়ে আছেন দলে ফেরার জন্য।
এদিকে পিসিবির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, স্পট ফিক্সিংয়ে আমিরের দুই সহযোগী মোহাম্মদ আসিফ ও সালমান বাটের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটের দরজা। ২০১৬’র ফেব্রুয়ারিতে শেষ হচ্ছে আসিফ ও সালমানের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া।
পিসিবির একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘চলমান ফার্স্ট ক্লাস টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর ওয়ানডে কাপে তাদের খেলতে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। কায়েদ-ই-আযম ট্রফি শেষ হওয়ার সাথে তাদেরও সব পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ হবে। এরপর তারা ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারবে।’
২০১০ সালে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে পড়েন এই দুজন ও আমির। তাদের জেলও হয়েছিল। ৫ বছরের জন্য সব ধরণের ক্রিকেটে নিষিদ্ধও করা হয়। গেলো সেপ্টেম্বরে তিনজনই নিষেধাজ্ঞা শেষ করেছেন। আমির ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার সুযোগ পেলেও আসিফ ও সালমানকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকতে হয়েছে।






