ওয়ানডে ক্রিকেটে ১১ বছরের পথচলায় বাংলাদেশ নারী দল খেলেছে মাত্র ৪৫ ম্যাচ। যার তিনটি চলতি বিশ্বকাপেই। কম খেলার কারণে ব্যক্তিগত মাইলফলক ধরা দেয়ার পথটাও দীর্ঘ। তারপরও সময়ের পরিক্রমায় দারুণ দুটি মাইলফলকের সামনে ফারজানা হক পিংকি ও রুমানা আহমেদ।
টি-টুয়েন্টিতে প্রথম ব্যাটার হিসেবে হাজার রানের মাইলফলক ছোঁয়া পিংকি ওয়ানডেতেও স্পর্শ করতে চলেছেন এই কীর্তি। হাজার থেকে মাত্র ২৮ রান দূরে টপঅর্ডার ব্যাটার। রুমানা প্রথম বাংলাদেশি নারী বোলার হিসেবে ফিফটি পূরণে ২ উইকেট দূরে।
হ্যামিল্টনে মাউন্ট মঙ্গানুইতে বিশ্বকাপে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে শুক্রবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলবে মেয়েরা। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে দুই সতীর্থের মাইলফলক প্রসঙ্গ উঠতেই টাইগ্রেস অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি কথার ঝাঁপি খুলে বসলেন। আগামীতে নানা অর্জনের সম্ভাবনার সঙ্গে মিশে থাকল কিছুটা আক্ষেপের সুরও।
‘বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করার পর আমাদের ভালো করার দরজা খুলে গেছে। আমাদের টিমে অনেক ভালো খেলোয়াড় আছে, যারা বিশ্বমানের। বিশ্ব ক্রিকেটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো। হয়তবা সুযোগের অভাবে অনেকে মেলে ধরতে পারেনি কখনো। কিন্তু এখন এই সুযোগটা এসেছে যে, এখন আমরা নিজেদের মেলে ধরতে পারব এবং যত ম্যাচ খেলব, ডে বাই ডে আমাদের এই অর্জনগুলো বাড়বে।’
‘আজকে হয়তবা রুমানা আহমেদের ৫০ উইকেটের জন্য চিন্তা করছি, আর কয়েকটা (২টি) উইকেট পেলে হয়ত ৫০ উইকেট হবে। সামনে দেখবেন বেশি ম্যাচ খেললে অচিরেই ১০০ উইকেট হয়ে যাবে।’
‘যদি বলি ফারজানা হকের কথা, অবশ্যই সেও অনেক কাছাকাছি মাইলফলক থেকে। এরকম আরও অনেক খেলোয়াড় আছে যারা ছোট ছোট সেই মাইলফলকে যেতে পারছে না। কিন্তু আমাদের জন্য এখন সুযোগ অনেক আছে। শুধু এই বিশ্বকাপই না, এরপরেও আমরা অনেকগুলো ম্যাচ খেলবো। দ্বিপাক্ষিক অনেক সিরিজ খেলবো।’
‘এই মাইলফলক থেকে আরও নতুন মাইলফলকে যাওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত দেড়-দুই বছরে ক্রিকেট বোর্ড বলেন বা খেলোয়াড়রা আমরা, সেই চেষ্টাটাই করেছি। বিশ্বাস করেছি বাছাইপর্ব থেকে বিশ্বকাপে যদি কোয়ালিফাই করতে পারি, বিশ্বকাপ খেলতে পারি, আমাদের জন্য অনেক সুযোগ অপেক্ষা করছে। আমরা যেভাবে ভালো ক্রিকেট খেলে আসছি, এটা যদি ধরে রাখতে পারি, আমাদের জন্য অনেক ভালো কিছু অপেক্ষা করছে সামনে’ বলেন নিগার।








