অনেকদিন ধরেই তো প্রেম করছেন, কিন্তু যখনই বিয়ের প্রসঙ্গ চলে আসে তখনই চলে কালক্ষেপন। হয়ত বিয়ের প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে অন্য বিষয়ে সঙ্গী কথা বলতে বেশি পছন্দ করছেন। আবার কখনো নিজেকে একা থাকতে দেওয়ার বাহনাও বলতে শোনা যায়। দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার জন্য এমন হরেক রকম বাহনা আজকাল ভালোবাসার সম্পর্কে লক্ষ্য করা যায়।
কিন্তু আমরা কখনই ভাবি না, যার সাথে আমি ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি সে আমাকে সত্যি সঙ্গী হিসেবে চায় কিনা!
জনপ্রিয় ভারতীয় ম্যাগাজিন ফেমিনাতে আপনার সঙ্গী সত্যি আপনাকে ভালোবাসে কিনা অথবা আপনাকে সঙ্গী হিসেবে চায় কিনা তা বোঝার কিছু বিশেষ দিক তুলে ধরেছে।
সম্পর্কে বিশ্বাস না থাকা-
সম্পর্কের মধ্যে সবার আগে যে বিষয়টি আসবে তা হলো বিশ্বাস। তবে যদি আপনার সঙ্গী আপনাকে তার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা না করে এমনকি আপনাকে বিশ্বাস করে কিছু না বলে, তাহলে বুঝে নিতে হবে সে আপনাকে সঙ্গী হিসেবে চায় না।
বন্ধু মহলে গুরুত্ব না দেওয়া-
অনেক সময় দেখা যায় অনেকে দীর্ঘ দিনের সম্পর্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু যখনই বন্ধু মহল বা আত্মীয়স্বজনের সাথে আপনার প্রিয় মানুষটিকে পরিচয় করার কথা উঠে, তখন কথাটা যেন এড়িয়ে যাচ্ছে। তখন বুঝতে হবে সে আপনাদের সম্পর্কে গুরুত্ব দিচ্ছে না।
আমাকে একা থাকতে দাও-
যখনই আপনি কোন গুরুত্বপূর্ণ কথা অথবা দিনের নানা ঘটনা শেয়ার করতে যবেন, যদি দেখেন আপনার পছন্দের মানুষটি বলে বসল, আমি এখন ব্যস্ত অথবা আমাকে প্লিজ একা থাকতে দাও। তাহলে বুঝতে হবে সে আপনাকে চাচ্ছে না।
আমি এখন ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে চাই না-
সময় তো ভালই যাচ্ছে। ভবিষ্যতের কথা পরে চিন্তা করা যাবে। যদি সম্পর্কের মধ্যে কোন প্ল্যানিং না থাকে তাহলে বুঝতে হবে নিছক সময় কাটাচ্ছে আপনার সঙ্গী। কারণ তার মাঝে আপনাকে ঘিরে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেই।
সম্পর্কে দ্বিধাগ্রস্ত থাকা-
সব ব্যাপারেই আপনার সঙ্গীর দ্বিধা। সে নিজেও জানে না সে কী চায়। আবার সেটা না পেলে নিজে নিজেই অভিমান করে বসে থাকে। এ ধরনের সঙ্গী আপনাকে সত্যি ভালোবাসা তো দূরে থাক, আপনাকে কখনো বোঝারই চেষ্টা করবে না।
নিজের দোষ স্বীকার না করা-
যে নিজের দোষ স্বীকার করতে চায় না, তার সাথে কখনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পারবেন না। কারণ একজন মানুষ ভুল করে তখনই শোধরাতে পারে, যখন তা মেনে নিয়ে নিজেকে শোধরানোর চেষ্টা করে। আর যে ভুল করে স্বীকার করবে না সে আপনার কাঁধেই হয়তো দোষটা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে। তাই এ ধরনের সঙ্গী থেকে আগে থেকেই সাবধান হওয়া ভালো।







