ঈদকে ঘিরে একসময় ক্রীড়াঙ্গনে ব্যস্ততা কম থাকতো না। পরিবারকে সময় দিয়ে প্রিয় খেলা নিয়েও ক্রীড়াঙ্গনের মানুষদের থাকতো ভিন্ন পরিকল্পনা। নবীন-প্রবীণ ফুটবলারদের নিয়ে আয়োজন করা হতো প্রীতি ম্যাচ। এরকম আয়োজন থেকে এখন অনেকটাই দূরে ক্রীড়াঙ্গন। তবে কর্মব্যস্ততার মাঝে ঈদকে পূর্ণতা দিতে আবারো প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের ইচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের।
দেশের মানুষকে আনন্দ দিতে ‘আবাহনী-মোহামেডান’ নাম দু’টিই যথেষ্ট। সেখানে যদি যোগ হয় ‘আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল’, তাহলে তো কথাই নেই। কোন উপলক্ষকে ঘিরে প্রিয় দলের জার্সি গায়ে এক খণ্ড মাঠেই ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হতো পাড়া কিংবা মহল্লায়। আশি-নব্বই দশকের মাঠ মাতানো ফুটবল তারকাদের ‘মিলনমেলার’ একটা উপলক্ষও ছিল প্রদর্শনী ম্যাচগুলো।
প্রায় ৭/৮ বছর ধরে কর্মব্যস্ততা আর উদ্যোগ সংকটে ঈদটা অনেকটা পরিবার কেন্দ্রিকই হয়ে গেছে ফুটবল ‘লিজেন্ড’দের।
সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদ বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে এটা দেখতে পাচ্ছি না। উদ্যোগের অভাব, তারা মনে হয় স্পন্সরদের কাছেও যাচ্ছে না বা চেষ্টাও করছে না। চেষ্টা করলে আয়োজন করা যেতে পারে।
এক্ষেত্রে চ্যানেল আই’র ‘বিচ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাবেকরা।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক কোচ শফিউল বারী টিটু বলেন, চ্যালেন আই’র যে বিচ ফুটবলটা হয়, সেটা ঘাটতিটা পুষিয়ে দেয়। এর মাধ্যমে আমরা অতীতে ফিরে যেতে পারি।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও এক্ষেত্রে বেশ উৎসাহী। হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে ফেরাতে এরইমধ্যে নানামুখী উদ্যোগ নিচ্ছে তারা।
বাফুফের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সালাম মুর্শেদী জানান, অতীতে যে সমস্ত খেলোয়াড়রা ভাল খেলেছে তাদেরকে নিয়েও নিয়মিত প্রীতি ফুটবল করি করতে পারি।
ঈদকে আরও রঙ্গিন করতে আগামীতে ফুটবল নিয়ে আবারও মাঠে মেতে উঠবে সবাই, প্রত্যাশা প্রতিটি বাঙ্গালির।







