এই ঘোষণাটা তার কাছ থেকে বেশ কয়েকবার এসেছে। কখনো কারো অনুরোধে, কখনো নিজের ইচ্ছায় অবসর ভেঙে ফিরেও এসেছেন। শহীদ আফ্রিদির অবসর নিয়ে তাই নানা কৌতুক চালু আছে ক্রিকেট দুনিয়ায়। অবশেষে সেই আফ্রিদি রোববার বলে দিলেন, ‘আর নয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে এখনই বিদায়।’
আফ্রিদি আগেই টেস্ট এবং ওয়ানডে থেকে বিদায় নিয়েছেন। কিন্তু পাকিস্তান টি-টুয়েন্টি দলে থেকে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল তার। পিসিবির কাছ থেকে সাড়া পাচ্ছিলেন না। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই ২১ বছরের আলোচিত-সমালোচিত ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন।
কিংবদন্তি এই ক্রিকেটার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন স্পিনার হিসেবে। ১৯৯৬ সালের একটি ম্যাচ তার পরিচিতি বদলে দেয়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৭ বলে সেঞ্চুরি করে সারা দুনিয়ায় হৈ-চৈ ফেলে দেন। দ্রুততম সেঞ্চুরির কীর্তি হিসেবে ১৭ বছর এই রেকর্ড টিকে ছিল।
ক্যারিয়ারে খুব একটা টেস্ট খেলতে পারেননি তিনি। ২৭ টেস্টে মাঠে নেমে মোট রান ১,১৭৬। সর্বোচ্চ স্কোর ১৫৬। উইকেট আছে ৪৮টি।
টেস্টের তুলনায় তার ওয়ানডে ক্যারিয়ার বেশ সমৃদ্ধ। ৩৯৮টি ওয়ানডে ম্যাচে মাঠে নেমেছেন। রান ৮,০৬৪। সর্বোচ্চ স্কোর ১২৪। সেই সঙ্গে লেগস্পিন দিয়ে উইকেট শিকার করেছেন ৩৯৫টি।
টি-টুয়েন্টিতে মাঠে নেমেছেন ৯৮ বার। এখানে তার রান ১,৪০৫; উইকেট ৯৭টি।









