ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগ ইপিএল, বুন্দেসলিগা, সিরি আ, লিগ ওয়ান ও লা লিগায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পাওয়া প্রথম কোচ তিনি। সেই কীর্তি আগেই গড়েছেন কার্লো আনচেলত্তি। এবার গড়লেন আরেক ইতিহাস। প্রথম কোচ হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পঞ্চমবার ফাইনালের দেখা পেলেন ৬২ বর্ষী ইতালিয়ান।
২০০৩, ২০০৫, ২০০৭ সালে এসি মিলান ও ২০১৪ সালে রিয়াল মাদ্রিদকে ফাইনালে তুলেছিলেন আনচেলত্তি। ২০২২ সালে আবারও রিয়ালকে ফাইনালে নিয়ে গেলেন। আগে তিনবার ছিলেন চ্যাম্পিয়ন দলের কোচ। এবার সুযোগ হালি পূরণের।
অবিস্মরণীয় জয়ের পর আনচেলত্তি বলেছেন, ‘খেলা শেষ হওয়ার কাছাকাছি ছিল এবং আমরা শেষ সময়ে শক্তি খুঁজে পেতে সক্ষম হয়েছি। আমরা শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে ভালো খেলেছি। যখন সমতায় ফিরি, তখন অতিরিক্ত সময়ের মনস্তাত্ত্বিক সুবিধা ছিল।’
‘হেরে যাওয়া নিয়ে ভাবার সময় আমার নেই। এটা কঠিন ছিল, কারণ সিটির খেলার নিয়ন্ত্রণ ছিল। কিন্তু শেষ সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমরা অতিরিক্ত সময়ে যেতে পেরেছিলাম।’
২০০৫ সালে ফাইনালে লিভারপুলের কাছে হেরেছিল আনচেলত্তির তখনকার দল এসি মিলান। এবারের ফাইনালে সেই একই প্রতিপক্ষকে পাচ্ছেন তিনি।
‘প্যারিসে আরেকটি দুর্দান্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ফাইনালে থাকতে পেরে আমি খুশি। আমরা এতে অভ্যস্ত। ফুটবলের জন্য এটি একটি দুর্দান্ত স্মৃতি হবে।’ যোগ করেন আনচেলত্তি।
অন্যদিকে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে পেপ গার্দিওলার দল। অনাকাঙ্ক্ষিত এই রেকর্ডে সঙ্গী হিসেবে তিনি ডাগআউটে এক সময়ের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হোসে মরিনহোকে পেয়েছেন।
সেমির প্রথম লেগে ইতিহাদে ৪-৩ গোলে জয়ের পর বার্নাব্যুতে ৮৯ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেও হার মেনেছে ম্যানচেস্টার সিটি। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৩-১ গোলে জিতে ফাইনালে উঠেছে লস ব্লাঙ্কোস। অবিশ্বাস্য পরাজয় নিয়ে গার্দিওলা লুকাননি হতাশা।
‘আমরা কাছাকাছি ছিলাম। কিন্তু ফুটবল অপ্রত্যাশিত। কখনো কখনো এমন হয় এবং এটি মেনে নিতে হবে। আমাদের সেরাটা খেলতে পারিনি। তবে এটা স্বাভাবিক। সেমিফাইনালে খেলোয়াড়রা চাপ অনুভব করে। ফুটবল অপ্রত্যাশিত, এটা এমনই এক খেলা। আমাদের মেনে নিতে হবে।’








