যশোরের সাবেক এমপি ও সাবেক জামায়াত নেতা সাখাওয়াত হোসেনসহ ৯ রাজাকারের বিরুদ্ধে পাঁচ অভিযোগের মধ্যে চারটি আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-১। আদালত ৩০ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের শুনানির দিনও ঠিক করেছেন। তবে প্রথমবারের মতো অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর্যায়ে তিনি আসামীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে যশোরের কেশবপুরের রাজাকার কমান্ডার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেনসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। একসময় জামায়াতের সঙ্গে জড়িত থাকলেও এখন জাতীয় পার্টির নেতা তিনি। সাখাওয়াতসহ আসামীদের বিরুদ্ধে একাত্তরে হত্যা, শিশু হত্যা, ধর্ষণ, আটক ও নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়।
দাখিল করা অভিযোগ পর্যালোচনা শেষে আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
আসামীপক্ষের আইনজীবী বলেন, নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি, সাক্ষ্য প্রমাণ প্রসিকিউশন দাখিল করলে, সেই সব সাক্ষ্যপ্রমাণ ডিসক্রেডিট করার মাধ্যমে তারাও অবিযোগ থেকে অব্যাহতি পাবেন।
তবে এই মামলার অভিযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় ১২ আসামীর মধ্যে আটক থাকা আকরাম হোসেন ও ওজিয়ার মোড়ল এবং পলাতক মশিয়ার রহমানকে অব্যাহতি দেন ট্রাইবুনাল।
আসামীপক্ষের আইনজীবী জানান, কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা আদালত দেখাতে পারেনি। সেই জন্য ট্রাইব্যুনাল সন্তুষ্ট হয়ে তাদের অত্র মামলার সম্পৃক্ততা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, একটি এলাকায় রাজাকার ক্যাম্পের সকল অন্যায়ের দায় ঐ ক্যাম্পের সকল বাহিনীর উপরই বর্তায়। ট্রাইব্যুনাল আমাদের সেই বক্তব্যটি গ্রহণ করেনি।
রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, তিন আসামীর অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবেন তারা। আইনে রিভিউয়ের সুযোগ আছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।







