বাংলাদেশ থেকে ১৫ লাখ শ্রমিক নিতে চুক্তি স্বাক্ষরের একদিন পরেই মালয়েশিয়া সরকার বিদেশী শ্রমিক নেওয়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে।
এতে করে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশ থেকে আপাতত কোনো শ্রমিক মালয়েশিয়ায় যেতে পারবে না।
শুক্রবার মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ড. আহমাদ জাহিদ হামিদি এ ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, আমরা দেশীয় শ্রমিক নিয়োগের দিকে জোর দিতে চাই।
দেশটির সেনাপ্রধান কিম মুয়ারা তুয়াংয়ের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে এমন ঘোষণা দেন হামিদি। একই সঙ্গে দেশটিতে যেসব অবৈধ শ্রমিক রয়েছে তাদেরকেও শিগগিরই আটক করে বহিষ্কার করা হবে বলেও জানান তিনি।
ভালো সুযোগ সুবিধা থাকায় বরাবরই মালয়েশিয়ায় যেতে আগ্রহী বাংলাদেশী শ্রমিকরা। মালয়েশিয়ার বিশাল শ্রম বাজারে স্বল্প খরচে ব্যাপক হারে কর্মী পাঠাতে ২০১২ সালে প্রথমবার জিটুজি সমঝোতা স্মারকের পর ২০১৪ সালে প্রটোকল সই হয়।
কিন্তু জিটুজি প্রক্রিয়ায় আশানুরূপ কর্মীর অভিবাসন অর্জিত না হওয়ায় বেসরকারী খাতকে সম্পৃক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গতকালই ঢাকার ইস্কাটনে জিটুজি প্লাস চুক্তিতে সই করেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি এবং মালয়েশিয়ার মানব সম্পদ মন্ত্রী রিচার্ড রিয়ট আনাক জিম।
এ চুক্তিতে বাংলাদেশ সোর্স কান্ট্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সেবা, নির্মাণ, কৃষি, প্লান্টেশন ও ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে কর্মী নিয়োগের সুযোগ পায়। অতীতে শুধু প্লানটেশন সেক্টরে কর্মী নিয়োগের সুযোগ ছিলো।
ওই চুক্তির পর প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী জানান, পাঁচ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত এ চুক্তি উভয় দেশের সম্মতিতে পরে আরো বাড়ানো যাবে।






