সিরিয়ার আলেপ্পো থেকে ইসলামি স্টেট (আইএস) জঙ্গিদের হটাতে রাশিয়ার বিমান হামলার পাশাপাশি বড় ধরণের স্থলঅভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাশার অনুগত সিরিয়ান আর্মি, ইরান ও লেবানন ভিত্তিক হিজবুল্লাহ।
আঞ্চলিক পর্যায়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, আইএস জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আক্রমণে প্রস্তুত সিরিয়ার সরকারি বাহিনী। কয়েক হাজার ইরানী ও হিজবুল্লাহ যোদ্ধাকে পাশে পাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ। এই জোটকে সমর্থন দেবে রুশ বিমান সেনারা।
ধারণা করা হচ্ছে এই অভিযান সফল হলে সিরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল আইএস মুক্ত হবে, সেই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট আসাদ অনেকখানি দুশ্চিন্তামুক্ত হবেন।
তবে আইএস বিরোধী তথাকথিত লড়াইয়ে একবছরের বেশি সময় বোমাবর্ষণ করা মার্কিনীরা বাশার মিত্রদের এই সম্মিলিত অভিযানে নাখোশ। নানাভাবে তারা বলতে চাইছে রুশ বিমান হামলায় আইএস শক্তিশালী হচ্ছে। তাই আইএস দমনে মার্কিনীদের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
এক টেলিভিশন সাক্ষাতকারে পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করেন। পুতিন বলেন,‘ রুশ প্রতিরক্ষা বিভাগ থেকে মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের কাছে সুনির্দিষ্ট আইএস লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তারা ‘না’ বলে। পরে রুশদের পক্ষ থেকে কোনগুলো আইএস লক্ষ্যবস্তু বা স্থাপনা নয় এরকম একটি তালিকা চাওয়া হলে তাতেও মার্কিন কর্তৃপক্ষ ‘না’ বলে’।
তবে মিত্রদের নিয়ে আইএস দমনে হামলা জোরদার করা রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমা হম্বিতম্বির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আল-কায়দার আল নুসরা ফ্রন্টসহ অন্যান্য সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর হুমকি।
অস্তিত্ব সংকটে জেনে মরিয়া হয়ে সিরিয়া ইস্যুকে ধর্মযুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করে রুশদের বিরুদ্ধে পবিত্র যুদ্ধ বা প্রচলিত অর্থের ‘জিহাদ’ ঘোষণা করেছে আইএস বা আইএসআইএল।






