বন্ধ ফেসবুক ব্যবহার নিষিদ্ধ নয়, তবে ‘ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে’ এই কথাটা লেখা ৫৭ ধারার অপরাধ। প্রচলিত আইনে, ভিপিএন ব্যবহার অবৈধ নয়। তথ্যপ্রযুক্তি আইনে বিকল্পপথে ফেসবুকিং অপরাধ নয়। বরং আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারায় এই লেখাটি বাতিল করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে রাষ্ট্র।
১.
ন্যাশনাল আইডি দিয়ে মোবাইল সিম রেজিস্ট্রেশন নিশ্চিত করলেইতো ফেসবুক আইডি অটো ভেরিফাইড হইয়া যায়! শুধুমাত্র বাংলাদেশ থেকে ইমেইলে ফেসবুক আইডি খোলার অপশনটা বন্ধ করে দিতে হবে। প্রস্তাবটা ফেসবুক আর বাংলাদেশ রাষ্ট্রের উইন-উইন সিচ্যুয়েশন। এরজন্য কি রাষ্ট্রকে রেজিস্ট্রেশনহীন সিম জব্দে রাস্তায় নামতে হবে? অবশ্য এক্ষেত্রে শোডাউন আছে। মিডিয়ার শোঅফ আছে। যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জীবনে এখনও ফেসবুক ঢোকে নাই– তাদের বাহাবাও আছে। তবে টেকনিক্যাল দুনিয়ায় এই মঞ্চ-টিভির অভিনয় অতোটা জরুরি নয়।
২.
ফেসবুক বন্ধ থাকায় গুজব দ্রুত ছড়ায়। ভিপিএনযোগে ফেসবুক ব্যবহার করলে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, মাঠে নামছে ভ্রাম্যমাণ আদালত- এমন গুজব গৃহিনীদের কানেও পৌঁছে গেছে। সাঈদীর চন্দ্রাভিযানও মানুষ ফেসবুকে দেখেনি। কানে কানে এক ভুতুড়ে কমিউনিকেশনে শুনেছে।
৩.
এতোদিন বন্ধ থাকার পরও অ্যালেক্সার রেটিংয়ে বাংলাদেশে ফেসবুক ৩ নম্বরে থাকে কিভাবে? রাষ্ট্রের কাছেতো এই ব্যাখ্যাও থাকা দরকার। সাথে মিডিয়ার কাছে একটা সম্পূরক প্রশ্ন: ডাক প্রতিমন্ত্রী কারো কাছে চিঠি লিখলে, সেটা কি নিউজ?
(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)







