সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় মঙ্গলবার শেষ হয়েছে ইন্টারপার্লামেন্টারী ইউনিয়নের ১৩৩ তম সম্মেলন। আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ৫ দিন ব্যাপি এই সম্মেলনে আই পি ইউ‘র প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরী সহ বাংলাদেশের ১৭ সদস্যের সংসদীয় দল অংশ নেয়।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভার আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শেষ হলো সম্মেলনটি। পৃথিবীর ১৬৮ টি দেশের সাথে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বির প্রতিনিধিত্বে সংসদে বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ সহ ১৭ সদস্যের সাংসদ দল অংশ্রহন করেছেন এবারের এই সম্মেলনে।
বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ বলেন, আমরা এসেছি আমাদের দেশকে রিপ্রেজেন্ট করার জন্য। আমাদের দেশের কথা জনগণের কথা এখানে বলার জন্য।
নারীনেতৃত্ব ,নারী শিক্ষা, নারী অধিকার, শিশু এবং নারীর স্বাস্থ্য,চাকুরীর সুযোগ ইত্যাদি সমস্যা সহ সবচেয়ে বেশী আলোচনায় ছিলো সন্ত্রাসবাদ এবং শরনার্থী সমস্যা। সে ক্ষেত্রে সিরিয়ার সাথে সাথে বার বার উচ্চারিত হয়েছিল বাংলাদেশের রোহিঙ্গা বিষয়।
ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি বলেন, রোহিঙ্গারা আমাদের দেশে এসে অনেক তারা আশ্রয় নিয়েছে। আমাদের সরকার অত্যন্ত পজিটিভ। তাদের সকল প্রকার সহায়তা দেয়। কিন্তু আমরা কতদিন দিবো?
জাতিসংঘের গ্লোবাল কাউন্টার টেরোরিজম এবং ক্লাইমেট সহ অনেক বিষয়ের সরাসরি সহযোগিতার ব্যাপারের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে আই পি ইউ। জানালেন ৬৫০ কোটি মানুষের প্রতিনিধি এবং ৪৭ হাজার সংসদ সদস্যদের সংগঠন ইন্টারপার্লামেন্টারী ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরী।
সাবের হোসেন বলেন, জাপানে দুর্যোগের ঝুকির উপরে একটি চুক্তি হয়েছে। গত মাসে হয়েছে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেখানে কয়েকটি পুরস্কার পেয়েছেন। ডিসেম্বর মাসে জলবায়ু নিয়ে একটি বড় সম্মেলন হতে যাচ্ছে। জাতিসংঘের প্রক্রিয়া তিনটির মধ্যে আইপিইউ’র গুরুত্ব, স্বাধীন সার্বভৌম সাংসদের গুরত্বের উপর যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত হয়ে এনেছেন সংগঠনে অনেক সংস্কার। সাবের হোসেন বলেন, মানুষের জীবনে আশা কিভাবে সঞ্চার করতে পারে, ডাইরেক্টলি অন দ্য গ্রাউন্ড আমরা একটা পরিবর্তন চাচ্ছি। আমাদের একটি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে আইপিইউ এর বিকেন্দ্রীকরণ।







