চট্টগ্রামের ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট, ডিএপি সার কারখানায় বিস্ফোরণে গ্যাস দুর্ঘটনার তদন্তে জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি বুধবার তাদের রিপোর্ট পেশ করেছে।
জেলা প্রশাসকের কাছে দেয়া এই রিপের্টে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার দুই দিন আগে থেকে প্ল্যান্টটি বন্ধ ছিল। দুর্ঘটনার দিনে ৫০০ মেট্রিক টন ধারনণ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্যাংকে গাস মজুদ ছিল ৩৪০ মেট্রিক টন। এই অবস্থায় ট্যাংকটি বিস্ফোরিত হওয়ার কথা নয়। দুর্ঘটনার সময় ট্যাংকের ০৫টি নিরাপত্তা সিস্টেমের সবক’টি অকেজো ছিল। বিষয়টি মেইনটিনেন্স বিভাগকে জানানোর পরও তারা যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করে নাই।
চট্টগ্রামের ডিএপি সার কারখানার বিস্ফোরণের ঘটনায় উপ-প্রধান প্রকৌশলী দিলীপ কুমার বড়ুয়া এবং জিএম টেকনিক্যাল মেনটেইন্যান্স সার্ভিস নকিবুল ইসলামকে দায়ী করে তাদের প্রত্যাহার করে বিভাগীয় শাস্তি ও আনুতোষিক হতে ক্ষতিপুরণ আদায়ের সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জেলা প্রশাসকের তদন্ত রিপোর্ট।
২৩ অগাস্ট মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে ডিএপি সার কারখানার ড্যাব প্ল্যান্টের ৫ হাজার টন ধারণ ক্ষমতার অ্যামোনিয়া ট্যাংকে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে।
এই গ্যাস দক্ষিণের বাতাসে উত্তর দিকে কাফকো, কর্ণফুলী নদী, পতেঙ্গা নেভাল, ১৫নং, বিমান বন্দর, বিজয়নগর, স্টীল মিল বাজার, কাটগড়, আগ্রাবাদ সহ কয়েক কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত হয় শত শত নারী পুরুষ শিশু। শত শত মানুষ এলাকা ছেড়ে পালাতে থাকে।
৪ ঘণ্টা পর রাত ৩ টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পতেঙ্গা এলাকায় জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে পানি পান করা এবং নাকে মুখে পানি দেয়ার বিষয়ে মাইকিং করা হয়।







