লিগে যখন তুমুল গোলখরা, তখনও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গোলের কমতি নেই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। পর্তুগিজ তারকার সেই রূপটাই আরেকবার দেখা গেল। তার ও করিম বেনজেমার জোড়া গোলের সঙ্গে মডরিচ এবং নাচোর গোলে অ্যাপোয়েল নিকোশিয়ার জালে গোল উৎসব করেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বে সাইপ্রাসের দল নিকোশিয়ার মাঠ থেকে ৬-০ গোলে জিতে এসেছে জিনেদিন জিদানের দল। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে প্রথম লেগে অ্যাপোয়েলকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল লস ব্ল্যাঙ্কোসরা।
এতে প্রতিযোগিতাটির বর্তমানে টানা দুবারের চ্যাম্পিয়নরা নকআউট পর্বে উঠে গেছে। সঙ্গে প্রথম দল হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ‘শততম’ জয়ের দেখা পেয়েছে রিয়াল।
উয়েফা সেরার লড়াইয়ে নিজেদের শেষ ম্যাচে টটেনহ্যামের বিপক্ষে ৩-১ গোলে হার ও লা লিগার অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের স্মৃতি নিয়ে মাঠে নেমেছিল রিয়াল। ছন্দে পেতে সময় লেগেছে। কিন্তু প্রতিপক্ষের রক্ষণ দুর্বলতার ফায়দা নিতে সময় লাগেনি।
গোলবন্যার শুরু ২৩ মিনিটে। এসময় দর্শনীয় এক ভলিতে প্রতিপক্ষের জালমুখ খোলেন লুকা মডরিচ।
ষোলো মিনিট পর আসা দ্বিতীয় গোলটি বেনজেমার। টনি ক্রুসের পাসে বক্সের মধ্য থেকে স্বাগতিকদের জাল খুঁজে নেন ফরাসি তারকা।
তার দুই মিনিট পর আরেকদফা ব্যবধান বাড়ান নাচো ফার্নান্দেজ। কর্নার থেকে আসা বলে রাফায়েল ভারানে মাথা ছুঁয়ে দিলে পৌঁছে যায় নাচোর কাছে। আলতো টোকায় নিকোশিয়া গোলরক্ষককে বোকা বানাতে সময় লাগেনি রিয়াল তারকার।

মধ্যবিরতির একেবারে আগ মুহূর্তে রিয়ালের চতুর্থ গোলটি বেনজেমার। বলের যোগানদাতা রোনালদো।
দ্বিতীয়ার্ধে উৎসবে নাম লেখান রোনালদো নিজেই। ছয় মিনিটের মধ্যে দুবার নিকোশিয়ার জাল খুঁজে নেন। প্রথমে ৪৯ মিনিটে মার্সেলোর ক্রসে মাথা ছুঁয়ে, পরে ৫৪ মিনিটে ফাঁকায় বল পেয়ে জোরাল শটে। যেটি চলতি আসরে সিআর সেভেনের অষ্টম গোল। আর ইউরোপ সেরার মঞ্চে ১১৩তম।
এই জয়ে ‘এইচ’ গ্রুপ থেকে ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে নক আউট পর্বে পা রাখল রিয়াল। গ্রুপের শীর্ষ দল টটেনহ্যামের পয়েন্ট ১৩, তারা একইরাতে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের মাঠে ২-১ গোলে জিতেছে।








