সফলভাবে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলাদা করা জোড়া লাগানো যমজ শিশু তোফা ও তহুরাকে স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। তাদের অল্প করে স্বাভাবিক খাবারও দেওয়া হচ্ছে। তবে তারা আশঙ্কামুক্ত কী না তা জানা যাবে ৪৮ ঘন্টা পার হওয়ার পর।
বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে থাকা তোফা ও তহুরাকে আরো দশদিন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হবে বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার শাহনুর ইসলাম।
পিঠের কাছ থেকে কোমরের নিচ পর্যন্ত পরস্পরের সাথে সংযুক্ত তোফা ও তহুরাকে মঙ্গলবার দীর্ঘ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলাদা করা হয়।
শিশু দুটির বয়স ছিলো ১০ মাস। তাদের স্পাইনাল কর্ড, মেরুদণ্ড, পায়খানার রাস্তা ও প্রস্রাবের রাস্তা একটাই ছিলো। তবে মাথা-হাত-পা ছিল আলাদা। মোট ১৬ জন সার্জন মিলে দুটি শিশুকে আলাদা করার অপারেশনটি সম্পন্ন করেন।
তোফা-তহুরার মায়ের নাম শাহিদা ও বাবার নাম রাজু মিয়া। তাদের বাড়ি গাইবান্ধায়।
তোফা-তহুরা যেভাবে জোড়া লাগানো ছিল, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘পাইগোপেগাস’। দেশে ‘পাইগোপেগাস’ শিশু আলাদা করার ঘটনা এটাই প্রথম।
এর আগে যেসব শিশুদের আলাদা করা হয়েছিলো তাদের ধরণ আলাদা ছিলো। দেশে অন্যান্য হাসপাতালে তিন জোড়া শিশুকে আলাদা করা হয়েছে।







