২০২২ সালের লিটন দাস আর ২০২৪ সালের লিটন দাস যেনো আলাদা দুই চরিত্র। বিশ্বসেরাদের কাতারে উঠা বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান অল্পসময়ের ব্যবধানে নেমে গেছেন একদম তলানীতে। অভাবনীয় উত্থানের পর দেশসেরা ব্যাটারের রহস্যময় পতন ভাবাচ্ছে দেশের ক্রিকেটকে।
পরিসংখ্যানে তাকালে দেখা মেলে করুণ বাস্তবতা। রানখরাতেই কাটিয়ে দিয়েছেন বছরের অর্ধেকটা সময়। এ বছর তিন ফরম্যাটে ২০ ইনিংসে ১৫.৭৩ গড়ে করেছেন ২৯৯ রান। আহামরি না খেলেও এই সময়ে নাজুমল হোসেন শান্ত ও তাওহীদ হৃদয় পাঁচশ রানের গণ্ডি পার করেছেন।
অবস্থা এতটা শোচনীয় যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে বাজে পারফরম্যান্সের কারণ একাদশ থেকেও বাদ পড়তে হয়েছিল লিটনকে। অভাবনীয় উত্থানের পর রহস্যময় পতন দেখা যায়।

অবস্থা এতটাই নাজুক ছিল যে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে লিটনকে রাখা নিয়েও উঠেছিল প্রশ্ন। অথচ ২০২২ সালে লিটন বিশ্বসেরা ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান করেছিলেন। ৪৯ ইনিংসে ৩৯ গড়ে ১৮৩৫। ওই বছর লিটনের সামনে ছিলেন কেবল পাকিস্তানের বাবর আজম।
পরের বছরও হাজার রানের মাইলফলক ছাড়ান লিটন। ৪১ ইনিংসে ৩০.৯৭ গড়ে করেন ১১১৫ রান। কিন্তু এ বছরটা কাটছে ভয়াবহ রানখরায়। বছরে ৩৯ গড়ে রান করা ব্যাটারের নামের পাশে ১৫ গড় বড্ড বেমানন!
বছরের শেষাংশে নিজেকে ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বের করতে না পারলে লিটনের ক্যারিয়ার হুমকির মুখে তো পড়বেই ভুগতে হবে বাংলাদেশকেও।







