সেন্ট কিটসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। একাদশে আসেনি কোনো পরিবর্তন। প্রথম ও দ্বিতীয় ওয়ানডের একাদশ অপরিবর্তিত রেখেই নেমেছে টাইগাররা।
ওয়ানডে সিরিজ জিতে গায়ানা থেকে সেন্ট কিটসে পা রাখার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে। শেষ ম্যাচে তীরে এসে তরী না ডুবলে ওয়ার্নার পার্কে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে হয়ে যেত নিয়মরক্ষার বা হোয়াইটওয়াশের মিশন! টাইগার ব্যাটসম্যানরা শেষে ভজঘট পাকানোয় শনিবারের ম্যাচেই হতে যাচ্ছে সিরিজের নিষ্পত্তি। যারা জিতবে তাদের হাতেই উঠবে তিন ম্যাচ সিরিজের শিরোপা।
টেস্ট সিরিজে অসহায় আত্মসমর্পণে হোয়াইটওয়াশ হয়ে বাংলাদেশ দল যে সমালোচনার তীরেবিদ্ধ হয়েছিল। ওয়ানডে সিরিজ জিতলে কিছুটা হলেও মুখরক্ষা হবে সাকিব-তামিম-মুশফিকদের। গায়ানার উইকেটে স্পিনাররা সহায়তা পেয়েছেন। সাকিব আল হাসানের আশা সেন্ট কিটসের উইকেটেও পাওয়া যাবে তেমন টার্ন।
বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সবশেষ সিরিজ জয় ৯ বছর আগে। ২০০৯ সালের আগস্টে জিম্বাবুয়ের সফরে ৪-১এ সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। ৯ বছর পর দেশের বাইরে আরেকটি সিরিজ জয়ের হাতছানি মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার দলের সামনে।
ওয়ার্নার পার্কে বাংলাদেশ সবশেষ ম্যাচ খেলেছিল ২০১৪ সালের আগস্টে। হোয়াইটওয়াশ হওয়া সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে দিনেশ রামদিন ও ড্যারেন ব্রাভোর সেঞ্চুরিতে ৩৩৮ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে ৫০ ওভার খেলেও ২৪৭ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ।
টাইগারদের বিপক্ষে জয়ের পাল্লা অনেকটা ভারী ক্যারিবীয়দের। মুখোমুখি ৩০টি ওয়ানডে ম্যাচের মধ্যে বাংলাদেশের জয় মাত্র ৮টি। ২০বারই দেখতে হয়েছে হারের মুখ। বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছে দুটি ম্যাচ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ১২ ম্যাচের মধ্যে চারটি জয় সফরকারীদের। হার আট ম্যাচে।
বাংলাদেশ একাদশ: মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, এনামুল হক বিজয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোস্তাফিজুর রহমান ও রুবেল হোসেন।








