বাবা মায়ের কোলে আর ফেরা হলো না মৃত ভেবে দাফনের আগে কেঁদে ওঠা ফরিদপুরে জন্ম নেয়া অপরিণত শিশু গালিবা হায়াতের। রোববার রাতে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।২২ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৩ সপ্তাহ বয়সে জন্ম নেয়া শিশুটিকে যথাযথ পর্যবেক্ষণের আগেই মৃত ঘোষণা করেছিলেন স্থানীয় এক হাসপাতালের চিকিৎসক। দাফনের আগে কেঁদে নিজের প্রাণের অস্তিত্বের জানান দিয়েছিল গালিবা।
পরে এক প্রবাসীর সহায়তায় তাকে হেলিকপ্টারে করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে আশংকাজনক অবস্থায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ওজন ছিলো মাত্র সাড়ে চারশ’ গ্রাম।
নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে বাঁচিয়ে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন চিকিৎসকরা। রাত সাড়ে এগারটার দিকে হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যায় শিশুটির। দশ মিনিট পর্যবেক্ষণ শেষে এগারটা চল্লিশে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
ফরিদপুর প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগের নিয়মিত খেলোয়াড় নাজমুল হুদা মিঠু ও তার আইনজীবী স্ত্রী নাজনীনের প্রথম সন্তান গালিবা হায়াত। ২২ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরের একটি হাসপাতালে তার জন্ম। কিন্তু মাত্র ২৩ সপ্তাহেই জন্ম নেওয়া অপরিণত শিশুটিকে চিকিৎসকরা অবস্থাদৃষ্টে মৃত ঘোষণা করেন। এরপরই শিশুটিকে দাফনের উদ্যোগ নেন স্বজনেরা। রাতে দাফন করা সম্ভব না হওয়ায় শিশুটিকে গোরস্থানেই রাখা হয়।
ভোরে দাফনের প্রস্তুতির সময় শিশুটি হঠাৎ নড়ে উঠে। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে এক প্রবাসীর সহায়তায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে হেলিকপ্টারে নিয়ে আসা হয় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে। শিশুটিকে বাাঁচিয়ে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছিলো শিশু চিকিৎসক আফতাব রাজের তত্ত্বাবধানে আট সদস্যের চিকিৎসক দল।







