সমাজে চলমান নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধপ্রবণতা কমাতে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে রোববার এক ওয়েবিনার আলোচনা বিশেষজ্ঞরা বলেন, মানসিকতা উন্নয়নে আমরা যতো বেশি কাজ করবো, আমাদের সমাজে নৈতিকতা স্খলনজনিত অপরাধ ততো কমে আসবে। একইসাথে সাইকো থেরাপি কাউন্সেলিং বা মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত মান অনুসরণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।
ওয়েবিনারে উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা এক্ষেত্রে শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন।
তারা বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে, বাবা-মায়ের মানসিক অবস্থান বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সন্তানের উপর প্রভাব ফেলছে। পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতার মধ্যদিয়ে গর্ভবতী মা থেকে শুরু করে শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশের প্রতিটি স্তরে মানসিক যত্ন নেয়া জরুরি। শিশুর মানসিক উদ্দীপনা গতিশীল করতে মা-বাবাসহ পরিবারেরই বিশেষ দায়িত্ব পালন করা উচিত।
অ্যাকশনিস্ট নামক মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক তরুণদের সংগঠন এই ওয়েবিনার আলোচনা আয়োজন করে।
ওয়েবিনারে ইউনিভার্সিটি অব লিভারপুল এর রিসার্চ এসোসিয়েট ড. তাজদিক হাসান দ্বীপ-এর সঞ্চালনায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ এবং আইসিডিডিআর,বি এর শিশু মনোবিদ ও গবেষক শামীমা সিরাজী।
পুরো ওয়েবিনারটি পরিচালনা করেন অ্যাকশনিস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আ.ন.ম ফখরুল আমিন।







