ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞাকে বনানী
কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটিসহ তিনটি নামাজে
জানাযায় বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে সোমবার ইন্তেকাল করেন মনিরুজ্জামান মিঞা। মঙ্গলবার সকালে তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় তার নিজের সাবেক কর্মস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে। সেখানে সকাল সাড়ে এগারোটায় তার প্রথম নামাজে জানাযা হয়। এতে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-সহকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ীরা।
নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি একজন সফল শিক্ষক এবং অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান শিক্ষক নেতা, রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও আমি ও মনিরুজ্জামান মিয়া প্রতিরোধ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম ঘনিষ্ঠভাবে।
শিক্ষক হিসেবে একজন ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে বিশেষজ্ঞকে হারালেন বলে মন্তব্য করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়্যারম্যান অধ্যাপক হাফিজা খাতুন।
মনিরুজ্জামান মিঞার ছোট ভাই ড.এম আসাদুজ্জামান বলেন, বয়সের কারণে উনি অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। স্নায়বিক রোগটা তার বহুদিনের। সেজন্যই তাকে আমরা হারালাম।
এরপর তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে। সেখানে তার দ্বিতীয় নামাজে জানাযায় শরিক হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক ও রাজনৈতিক দলের নেতারা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী, মতপার্থক্য থাকলেও আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি।
শিক্ষক হিসেবে মনিরুজ্জামান মিঞা সফলতার পরিচয় দিয়েছেন এবং যেখানেই তিনি বিচরণ করেছেন সেখানেই সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন বলে মন্তব্য করেন আরেক সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তার উদ্দীপনা, তার গবেষণা সবকিছুতেই ছিলো তার দেশপ্রেম। তার চলে যাওয়া যে শূণ্যতা তৈরি করেছে তা সহজে পূরণ হবার নয়।
অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞার তৃতীয় ও শেষ নামাজে জানাযা হয় গুলশানের আজাদ মসজিদে। এরপর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয় বরেণ্য এ শিক্ষাবিদকে।







